logo
youtube logotwitter logofacebook logo

জামায়াত

‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেয়া হবেনা’ - image

‘অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় দেয়া হবেনা’

12 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

বিদেশিদের হত্যা করে যারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে, তাদের ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর দেওয়া এক সংবর্ধনায় তিনি এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, দেশ যখন এগিযে যায়, তখনই বিএনপি- জামায়াত দেশের অগ্রগতি থামিয়ে দেযার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের মানুষের সঙ্গে শত্রুতা। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বাইরের দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগেও বাংলাদেশ এখন আর বিপর্যস্ত হয় না।

অক্টোবর ১২, ২০১৫
‘পেট্রোল বোমা দিয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছে’ - image

‘পেট্রোল বোমা দিয়ে ব্যর্থ হয়ে এখন গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছে’

31 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়েও ব্যর্থ হয়ে বিএনপি জামায়াত জোট এখন গুপ্ত হত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত অক্টোবরে দুর্বৃত্তের হাতে নিহত কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দিন ফরায়েজীর পরিবার রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অন্য কেউ নিহত হলে যতটা আলোড়ন হয়, আওয়ামী লীগের কেউ মারা গেল সেভাবে কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেনা। এসময় প্রধানমন্ত্রী নিহত শাহাব উদ্দিন ফরায়েজীর পরিবারকে স্বান্তনা দেন। পরে গণভবনেই আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টরী বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অক্টোবর ৩১, ২০১৫
গয়েশ্বর-খোকাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা - image

গয়েশ্বর-খোকাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

03 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

রামপুরায় নাশকতার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাদেক হোসেন খোকাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা বিকেলে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ২০১৩ সালের ২৯ মার্চ বিএনপি-জামায়াত জোটের ডাকা ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসূচি পালনের সময় গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ফলে মুনসুর প্রধানীয়া নামে এক ব্যক্তি হত্যা ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়। গত ২০ মার্চ গয়েশ্বর ও খোকাসহ ৪৯ জনকে আসামি করে মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়। চার্জশিটে সাদেক হোসেন খোকাসহ ২১ জনকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। চার্জশিটে পলাতক দেখানে ২১ আসামি ও জামিনে থাকা ১৪ আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০১৫
মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, আদেশ বুধবার - image

মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, আদেশ বুধবার

16 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে মঙ্গলবার এই শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে সুপিরিয়র নেতৃত্বের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পাওয়া মুজাহিদের পক্ষে রিভিউ শুনানিতে শুধু মৃত্যুদন্ডের শাস্তি কমানোর আবেদন করা হয়েছিল। মুজাহিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন তার প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আসামিপক্ষের যুক্তি; মুজাহিদ সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। এমনকী আল বদর বাহিনী সরাসরি পাকিস্তানী বাহিনী ছিল; তাই কমান্ডার হিসেবে মুজাহিদ অপরাধী হয়না বলে আদালতে তাঁরা দাবী করেন। পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে এটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, সেন্ট্রাল কমান্ড পাক বাহিণীর হাতে থাকলেও, স্থানীয় কমান্ডাররাও আল বদরের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করেছেন। এছাড়া মুজাহিদ সরাসরি সব হত্যাকান্ডে অংশ না নিলেও বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মূল নকশাকারী হিসেবে ছিলেন তিনি। ৭১ এ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন স্থান মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারেও সেসময় নিয়মিত মুজাহিদ যাওয়া আসা করতেন। শুনানিতে আদালত বিচ্ছু জালালের সাক্ষ্য তুলে ধরেন। যেখানে সুরকার আলতাফ মাহমুদের হত্যাকান্ডে মুজাহিদের সরাসরি অংশ নেওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১৬ জুন একাত্তরের বদর প্রধান মুজাহিদের আপিলের রায় ঘোষণা করে সুপ্রিমকোর্ট। এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনও একই বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও তা হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসির রায়ে জনসাধারণের উল্লাস - image

দুই যুদ্ধপরাধীর ফাঁসির রায়ে জনসাধারণের উল্লাস

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় উল্লসিত সারা দেশ। রায় কার্যকর হওয়ার পরই যেন উল্লাসের নগরীতে পরিণত হয় ঢাকা। বের হয় আনন্দ মিছিল। হয় মিষ্টি বিতরণ। এদিকে, এই রায় কার্যকর হ্ওয়াকে জনগণের বিজয় হিসেবে দেখছে গণজাগরণ মঞ্চ। শনিবার দিন থেকে রাত। ঢাকার শাহবাগের রাজপথে গণজাগরন মঞ্চের এমন প্রতীক্ষা। কখন কার্যকর হবে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায়। অপেক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। কারণ, সবাইকে চমকে দিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সাকা-মুজাহিদ। তাই কখনও অজানা আশংকা, কখনবা জয়ের আনন্দে উত্তাল সমাবেশ। শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে এলো সেই ক্ষণ। খবর এলো, কার্যকর হয়ে গেছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির দণ্ড। তারপরের ছবি- এমন বাধভাঙ্গা উল্লাসের। জাতীয় পতাকা হাতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পূর্ণ করার উদযাপনের। ইতিহাসের দায় শোধের পথে স্বস্তির। উত্তেজনা তখন কিছু থিতিয়ে এসেছে। ভর করেছে ক্লান্তি। তারপরও থেমে যায়নি উদযাপন। জাতীয় সঙ্গীতে এমন কন্ঠ মিলিয়েই চলছিল আনন্দের বহিপ্রকাশ। শুধু শাহবাগ নয়; রাজধানী জুড়েই যেন শোনা যাচ্ছিল এমন উল্লাসের আনন্দ চিৎকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন ছবি যেন তার কথাই বলছে। এদিকে, দুই রাজাকারের ফাঁসি হওয়ায় রোববার বিজয় র‌্যালি বের করবে গণজাগরণ মঞ্চ। এ ফাঁসির রায় কর্যকর হওয়াকে বিরাট বিজয় বলে জানিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। শনিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের পর রাজধানীর শাহবাগে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন গণজাগরণ মঞ্চের সদস্যরা। এদিকে কুখ্যাত দুই রাজাকারের মৃত্যুদন্ড কার্যকরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন শহীদ পরিবারের সন্তানেরা। আর দন্ড কার্যকরের আগ মুহুর্তে রাষ্ট্রপ্রতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মাটিতে তারা যে যুদ্ধাপরাধ করেছে তাও স্বীকার করে নিল বলে মনে করেন তারা। যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসিতে আনন্দিত ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষ। এ ফাঁসির রায়ের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরবাসী কলঙ্কমুক্ত হয়েছেন বলে মনে করছেন তারা। অপরদিকে দ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকরের খবরে চট্টগ্রামের রাউজানে আনন্দ মিছিল করেছেন মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ। শনিবার রাতে ফাঁসি কার্যকরের খবরে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা। একে অন্যকে মিষ্টিমুখ করান। এ ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম কলঙ্কমুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামবাসী। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
পাক হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ - image

পাক হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ

22 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুই যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানানোয়, পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মিজানুর রহমান ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার সুজা আলমকে ডেকে এ প্রতিবাদ জানান। সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে ডেকে আনা হয়। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় পাকিস্তান। এ ঘটনায় গভীরভাবে ব্যথিত বলে মন্তব্য করে দেশটি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে পাকিস্তানকে তীব্র ভাষায় সতর্ক করে দিয়েছে সরকার।

নভেম্বর ২২, ২০১৫
নিজামীর আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি - image

নিজামীর আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি

22 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর আপিল আবেদনের শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ চতুর্থ দিনের শুনানি হয়। নিজামীর পক্ষে আইনজীবী এস এম শাজাহান পেপারবুক থেকে অভিযোগ ধরে সাক্ষী উপস্থাপন করেন। বুদ্ধিজীবী গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, সম্পত্তি ধ্বংস, দেশত্যাগে বাধ্য করা, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও সংঘটনে সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। ওই রায়ের বিরুদ্ধে গত ২৩ নভেম্বর সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন নিজামী। জামায়াতে ইসলামীর আমির নিজামী একাত্তরে ছিলেন দলটির ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নাজিমে আলা বা সভাপতি এবং সেই সূত্রে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতার জন্য গঠিত আল বদর বাহিনীর প্রধান।

নভেম্বর ২২, ২০১৫
রাত পোহালেই ভোট - image

রাত পোহালেই ভোট

28 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুধবার দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে পৌরসভা নির্বাচন। এই প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, আর এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই সাধারণ পর্যায়ে। দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার পরিষদের একটি নির্বাচন দেয়ার ফলে , পুরোপুরি জাতীয় নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতার আমেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ ভোটযুদ্ধ। মেয়র পদে দলীয় প্রতীকের এ লড়াই দেশের ইতিহাসে প্রথম বলে, এর মাধ্যমে তৈরি হতে যাচ্ছে নতুন এক ধারা। এ লড়াইও যথারীতি মূলত সেই দুই দলের। সেই আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি, সেই নৌকা বনাম ধানের শীষ। প্রায় সাত বছর পর রাজনীতির মাঠের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগ ও বিএনপি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে বুধবার। দলীয় প্রতীকে মাধ্যমে পৌর নির্বাচনে এই লড়াই হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইতিহাসেও এটাই প্রথম রাজনৈতিক লড়াই। তাই ভোটেরআগে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে টানাটানি কারেছে দুই বড় দলই। জাতীয় নির্বাচনের আমেজ নিয়ে পৌর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয় ৯ ডিসেম্বর। আর ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় প্রার্থীদের প্রতীকসহ প্রচার কার্যক্রম। পৌরসভায় দু সপ্তাহের টানা প্রচার শেষ হয়েছে সোমবার মধ্যরাতে। অন্যদিকে তফসিল ঘোষনার পর থেকেই বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় আচরণ বিধি লঙ্ঘন, হুমকি হামলার ঘটনায় সারাদেশের ১ হাজার ৬১৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন যা মোট ভোট কেন্দ্রের অর্ধেক। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৭৪ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্য কাজ করবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন । সারা দেশের মোট ৩২৩টি পৌরসভার মধ্যে এবার নির্বাচন হচ্ছে ২৩৪টিতে। নিবন্ধিত ৪০টির মধ্যে অংশ নিচ্ছে ২০টি রাজনৈতিক দল। সারাদেশে মেয়র পদে মোট প্রার্থীরসংখ্যা ৯৪৫। সবক’টি পৌরসভাতেই প্রার্থী আছে শুধু আওয়ামী লীগের। বিএনপি’র আছে ২২৩টিতে, জাতীয় পার্টির ৭৪ , জাসদের ২১ এবং ওয়ার্কার্স পার্টির আটটিতে। এছাড়া অন্যান্য দলের প্রার্থী ১০০ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৮৫ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকেই আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নেতা, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহ করে স্বতন্ত্র দাঁড়িয়েছেন। নিবন্ধন বাতিল বলে জামায়াতের নেতারাও আছেন এ তালিকায়। এদিকে ভোটের আগেই, মেয়র পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন সাতজন, সবাই-ই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন। দেশের সাড়ে ৯ কোটি ভোটারের মধ্যে পৌরসভাগুলোতে আছেন প্রায় ৭১ লাখ ভোটার। এই তালিকায় নারী ও পুরুষ ভোটারের অনুপাত প্রায় সমান। মেয়রের পাশাপাশি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২৪৮০ জন নারী এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮৭৪৬ কাউন্সিলরকে নির্বাচিত করবেন তারা। বড় দুই দল আ. লীগ ও বিএনপি নিজেদের প্রার্থী দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, একে অপরের দোষারোপও করে যাচ্ছেন সমান তালে। তারপরও ভোটারদের চাওয়া সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন। দলীয় প্রতীকের চেয়ে তারা বড় করে দেখছেন প্রার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা। নির্বাচনের আগের দিন মঙ্গলবার বড় দুই দল-ই নির্বাচন অফিসে নিজেদের পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিমাতাসুলভ আচরণের অভিযোগ এনেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার বিকেলে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে। প্রায় আধ ঘন্টার বৈঠক শেষে হানিফ জানান, বিএনপি সংসদের বাইরে বলে নির্বাচন কমিশনের আনুকুল্য পাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে মঈন খানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করেন। এসময় তার ভোটের ফল পাল্টে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে ইসিকে শক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। পরে সাংবাদিকদের নির্বাচন সুষ্ঠু হলে যেকোন ফলাফল মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান। অপরদিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দাবী, বুধবার পৌর নির্বাচনে ভোট দিতে না যেতে জনগণকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারের পক্ষে হুমকি দিচ্ছে প্রশাসনের লোকজন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির প্রার্থীদের নানা হুমকি দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনে বারবার এসব তথ্য জানানো হলেও তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেনা বরং বিএনপির অভিযোগ হেসেই উড়িয়ে দিচ্ছে তারা। সরকারের স্বৈর আচরণ বাস্তবায়নে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলেও জানান তিনি। তিনি জনগণকে সরকারের সব বাধা অতিক্রম করে ভোটকেন্দ্রে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে উত্তর দেয়ার আহবান জানান।

ডিসেম্বর ২৮, ২০১৫
নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল, রিভিউ খারিজ - image

নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল, রিভিউ খারিজ

04 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামীর পুর্নবিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৪ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের ফলে মুক্তিযুদ্ধের সময় বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ তিনটি ঘটনায় নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল থাকল। এখন তিনি কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। এরপর তার দণ্ড কাযর্কর হবে। পাবনার বাউশগাড়িতে প্রায় সাড়ে ৪০০ মানুষ হত্যা, ধুলাউড়া গ্রামে হত্যা ও বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত থাকার ঘটনায় জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিল বিভাগ রায় দেয় গত ৬ জানুয়ারি। দু’টি ঘটনায় তাকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আপিল বিভাগের রায় পুর্নবিবেচনার আবেদন করেন আল বদর নেতা নিজামী। মঙ্গলবার শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রায় দেয়ার জন্য নির্ধারিত ছিল। আপিল বিভাগ তার রায়ে নিজামী সম্পর্কে বলেছিলেন, আল বদর বাহিনীর নেতা হিসেবে এই বাহিনীর ওপর নিজামীর কর্তৃত্ব ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ছিল। তাদের বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ সমস্ত বর্বরতাকে তিনি মেনে নিয়েছিলেন। এই ধরনের নিষ্ঠুর ও বর্বর অপরাধে কেউ সামান্যতম অংশীদার হলেও তার মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। বলা যায়, সেই নীতি থেকে সরে আসেনি আদালত। রিভিউ খারিজ হওয়ার ৫ দিন পর কামারুজ্জামানের, ৩ দিন পর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের এবং রিভিউ খারিজ হওয়ার রাতে কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। এ রায়ের পর নিজামীর সামনে এখন সুযোগ রয়েছে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার। রিভিউর রায় প্রকাশ হওয়ার পর দণ্ড কার্যকরের অন্যান্য প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এখন কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবার উপর নির্ভর করে। আর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির কার্যক্রম শুরু করবে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডসহ হত্যা-গণহত্যা ও ধর্ষণের প্রমাণিত ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নিজামীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ৪টিতে ফাঁসি ও ৪টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় তকে। পরে গত ৬ মার্চ আপিলের রায়ে ৩ টিতে ফাঁসি ও ২ টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখে সুপ্রিমকোর্ট। সেই আদেশের পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আসামিপক্ষের আবেদনের শুনানি হয় গত মঙ্গলবার। শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার সময় নির্ধারণ করেন।

মে ০৪, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo