logo
youtube logotwitter logofacebook logo

ক্রিকেট

এবার অস্ট্রেলিয়া উচ্ছ্বাসে ভাসছে - image

এবার অস্ট্রেলিয়া উচ্ছ্বাসে ভাসছে

05 সেপ্টেম্বর 2015, বিকাল 6:00

পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুললো ‘ম্যান ইন ইয়োলো’রা। তাছাড়া অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের বিদায়ী ম্যাচটাও যে বিশ্বকাপ জয়ের মধ্যে দিয়ে সার্থক হলো, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর শিরোপা জয়ের পর নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দলের অনেকেই। অস্ট্রেলীয় কোচ ড্যারেন লেহম্যান দলের ক্রিকেটারদের চাইতে সমর্থকদের প্রতিই নিজের কৃতজ্ঞতা জানালেন। তিনি বলেন, ‘গত ছয় সপ্তাহ ধরে আমাদেরকে আপনারা(সমর্থক) আমাদেরকে প্রতি বিশ্বাস রেখেছেন। এটা আমাদের জন্য অবিশ্বাস্য ছিলো। এই কারণে আপনাদের প্রতি আমার ভালোবাসা রইলো।’ সাবেক অজি স্পিনার শেন ওয়ার্ন যেন খুশীতে নিজেকে আটকিয়েই রাখতে পারছেন না। উত্তেজিত হয়ে তিনি বলেন, ‘এটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি। আমরা বলেছিলাম, আমরা আমাদের সেরাটা খেলবো। কিন্তু টুর্নামেন্টের শেষদিকে আমরা দারুণ করেছি। আর মাঠে এসে সমর্থন দেওয়ার জন্য দর্শকদেরকে ধন্যবাদ।’ ফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরষ্কার জেতা জেমস ফকনার যেন আজকের ঘটনা বিশ্বাসই করতে পারছেন না। বললেন, ‘মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড(এমসিজি) এর ৯০,০০০ দর্শকের সামনে খেলাটাই অনেক বড় ব্যাপার। আমি ভেবেছিলাম, আজকের সেরা একাদশে আমি থাকবো না। সবমিলিয়ে এ এক বিস্ময়কর অনুভূতি।’ দলের অনেক সদস্যদের মতো মিচেল স্টার্কও এবার প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রথম ম্যাচেও হয়তো তিনি জানতেন না, বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় দুই পুরষ্কার উঠতে যাচ্ছে তার হাতে। প্রথমত, বিশ্বকাপ শিরোপা আর দ্বিতীয়টি হলো, ‘ম্যান অব দ্য সিরিজ’। সবমিলিয়ে তাই স্টার্কের অনুভূতি খানিকটা মিশ্রই বলতে হয়। তবে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে গিয়ে ভোলেননি নিউজিল্যান্ডের কথাও। স্টার্ক বলেন, ‘দারুণ একটা মুহুর্ত, আমি গত কয়েকমাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি। কিছুটা ভাগ্যবান আমি। সমর্থকরা চমৎকার ছিলো। নিজের দেশের লোকের সামনে খেলা এবং শিরোপা জেতা, এই অনুভূতি বোঝনো যায় না। আর নিউজিল্যান্ডও অনেক ভালো করেছেন। ম্যাককালাম পুরো টুর্নামেন্ট ধরেই অনেক ভালো খেলেছে। আর কিছু না। আপাতত সময়টাকে ঊপভোগ করতে যাচ্ছি।’ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা নিউজিল্যান্ড কিংবা ভারতের মতো ভালো হয়নি। তারপরেও ক্লার্কের নেতৃত্বে অজিদের শিরোপা জয় যেন অস্ট্রেলিয়ার সোনালী দিনের কথাই মনে করিয়ে দিলো।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৫
বাঘের খাঁচায় জিম্বাবুয়ের অসহায় আত্নসমর্পণ - image

বাঘের খাঁচায় জিম্বাবুয়ের অসহায় আত্নসমর্পণ

07 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

প্রস্তুতি ম্যাচে ২৭৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শক্তিশালী বিসিবি একাদশের বিপক্ষে ২০ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটের বড় জয় জিম্বাবুয়ে দলের খেলোয়াড়দের মধ্য শক্তিশালী এক রসদি জুগিয়েছিল। আবাস দেখা দিয়েছিল, প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ এক ওয়ানডে সিরিজের। তবে তার ছিটেফোঁটাো পরিলক্ষিত হয়নি প্রথম ওয়ানডেতে। বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া ২৭৪ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ১২৮ রানেই থেমে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ১৪৫ রানে বিশাল জয় পায় বাংলাদেশ। গোড়ালির চোটের কারণে জিম্বাবুয়ের শেষ ব্যাটসম্যান মুতুম্বামি আর ব্যাট করতে নামেননি। মিরপুর মাঠে এখন সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের নাম সাকিব আল হাসান। অন্তসত্তা স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে রেখে এসে ক্রিকেট মাঠে স্ত্রীর দেয়া অনুপ্রেরণার সাফল্যটা ভালভাবেই কাজে লাগালেন। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ৫উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ একেবারে দুমড়ে মুচড়ে দেন। অন্যদিকে ডেঙ্গু থেকে মাঠে ফিরেই নিয়ে বাংলাদেশ দলপতি মাশরাফি নিজের পকেটে পুরেন সিকান্দার রাজা আর এমএন ওয়ালারের উইকেট। এরই সাথে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যক্তিগত ২০০ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেন। এছাড়া ১টি উইকেট নেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা আল আমিন। শেষ উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ে শেষ পেরেকটি মারেন নাসির। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন এলটন চিগুম্বুরা। এছাড়া এলএম জাঙয়ে ৩৯ এবং গ্রায়েম ক্রিমার করেন ১৫ রান। এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে ফিরে যান লিটন দাস। দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টিনাশে পানিয়াঙ্গারার বলে বোল্ড হয়ে ব্যক্তিগত ৯ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। এরপর তামিম ইকবালের সঙ্গে জুটি গড়ে সতর্ক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংস টেনে নিতে থাকেন মুশফিকুর রহিম। তামিম আউট হন ৪০ রানে। এরপর সাকিব আল হাসানও বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। ১৬ রানে স্ট্যাম্পড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। পঞ্চম উইকেটে সাব্বির রুম্মনকে নিয়ে ১১৯ রান যোগ করে বড় স্কোরের ভিত গড়েন মুশফিক। সাব্বির ৫৭ রানে ফিরে গেলেও ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম। রান আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১০৭ রান। শেষ দিকে- মাশরাফি ১৪ ও আরাফাত সানির ১৫ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ২৭৩ রান করে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত অনবদ্য শত রান আর উইকেটের পেছনে দুইটি দারুণ ক্যাচের দরুণ ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার তুলে নেন মুশফিকুর রহিম।

নভেম্বর ০৭, ২০১৫
টাইগারদের টানা পঞ্চম সিরিজ জয় - image

টাইগারদের টানা পঞ্চম সিরিজ জয়

09 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

২০১৪ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়েকে দিয়ে শুরু। এরপর একে একে পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আবারও জিম্বাবুয়ে এই টাইগারদের কাছে বধ হতে বাধ্য হল। টাইগারদের এই জয়রথ ক্রিকেট বোদ্ধাদের নতুন ক্রিকেটীয় ত্রাস হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য করছে। আর সাফল্যর ২০১৫ সালে ১৭ ম্যাচ খেলে ১২ ম্যাচে জয় তুলে নিল টাইগার বাহিনী, যেখানে শতকরা হার বিবেচনায় বাংলাদেশের আগে শুধু অস্ট্রেলিয়াই আছে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য চলমান সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দেয়া ২৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৮৩ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজ ২-০ তে জিতে নিলো বাংলাদেশ। ২৪২ রানের টার্গেটে খেলতে দলীয় ২৩ রানে দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১ রানে আউট হন চাকাবা। আর, মাশরাফির বলে বোল্ড হয়ে ১৪ রানে বিদায় নেন চামু চিবাবা। ব্যক্তিগত ১৪ রানে মুস্তাফিজের বলে শর্ট মড উইকেট অঞ্চলে নাসিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাবিলিয়নের পথ ধরেন শন উইলিয়ামস। আরাফাত সানির বলে দলীয় ৭৮ রানের মাথায় উইকেটে সেট হয়ে যাওয়া আরভিনকে দারুণ এক রান আউটে ফেরান লিটন দাস। আউট হওয়ার আগে করেন ২৬ রান। অতিথিদের সবচেয়ে বড় জুটি গড়ে উঠে চিগুম্বুরা ও সিকান্দার রাজার মধ্যে। তাদের ৭৩ রানের জুটি জয়ের পথে নিয়ে আসে জিম্বাবুয়েকে। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে ১৫১ রানের মাথায় সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙ্গেন আল আমিন। ১৫৬ রানের মাথায় আবারও আল আমিনের আঘাতে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন চিগুম্বুরা। সাথে সাথে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে চলে আসে। আউট হওয়ার আগে চিগুম্বুরা করেন ৪৭ রান। ১৭৫ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটান অনিয়মিত বোলার নাসির হোসাইন। ৪৩ তম ওভারে দারুণ এক কাটারে লুক জাংয়েকে বোল্ড আউট করেন তরুণ মুস্তাফিজ। একই ওভারে মুস্তাফিজের বলে বিভ্রান্ত হয়ে টাইগার দলপতির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পানিয়াঙ্গারা। প্রথম ওয়ানডের মত আবারও জিম্বাবুয়ের ইনিংসে শেষ পেরেকটি মারেন নাসির। ডাউন দ্যা উইকেটে মারতে এসে বোল্ড হন গ্রায়েম ক্রিমার। ১৮৩ রানেই জিম্বাবুয়ের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। জিম্বাবুয়ের পক্ষে চিগুম্বুরা সর্বোচ্চ ৪৭, সিকান্দার রাজা ৩৩ এবং আরভিন ২৬ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে আল আমিন, নাসির ২টি, মুস্তাফিজ ৩টি, মাশরাফি এবং সানি ১টি করে উইকেট দখল করেন। এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩২ আর ব্যক্তিগত ১৯ রানে তামিম ইকবালের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর লিটন দাস ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি। তবে চতুর্থ উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে ৪৮ রান যোগ করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ইমরুল কায়েস। মুশফিক ২১ রানে ফিরে গেলেও ইমরুল তুলে নেন ক্যারিয়ারের একাদশ অর্ধশত রান। তিনি আউট হন ৭৬ রানে। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে নাসির হোসেন ও সাব্বির রুম্মন ৪২ রান যোগ করে দলকে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু সাব্বির ৩৩ ও নাসির হোসেন ৪১ রানে বিদায় নিলে বড় স্কোর গড়া হয়নি টাইগারদের। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২৪১ রান করে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পানিয়াঙ্গারা নেন ৩ উইকেট। ম্যাচ শেষে বেস্ট বাংলাদেশী পারফর্মারের পুরস্কার জেতেন আল আমিন।ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন সৌম্য সরকারের পরিবর্তে দলে সুযোগ পাওয়া ইমরুল কায়েস। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটিও একই মাঠে বৃহস্পতিবার দিবারাত্রিতে শুরু হবে।

নভেম্বর ০৯, ২০১৫
বড় ব্যবধানে থাইল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল - image

বড় ব্যবধানে থাইল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল

27 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: নারী বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে থাইল্যান্ড নারী দলকে ৭৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দেয়া ১০৫ রানের জবাবে মাত্র ৩২ রানে গুটিয়ে যায় থাইল্যান্ডের ইনিংস। ব্যাংককের ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন থাইল্যান্ড অধিনায়ক সোমনারিন তিপোচ। অন্যদিকে আগে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৮ রান তোলে বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ১২ রানে আউট হন শারমিন আক্তার। দলীয় ৫৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন আয়েশা রহমান। তবে ফারহানা হকের অপরাজিত ২৩ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১০৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এছাড়া শায়লা সারমিন করেন ১৭। জবাবে শুরুতেই বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়েন থাইল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ২০ রানের মাথায় ৫ উইকেট হারায় তারা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩২ রানে থামে থাইল্যান্ডের ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে রুমানা, ফাহিমা ও রিতু মনি নেন ২টি করে উইকেট।

নভেম্বর ২৭, ২০১৫
ক্রিকেটে নিষিদ্ধ নারাইন, বিপাকে কুমিল্লা - image

ক্রিকেটে নিষিদ্ধ নারাইন, বিপাকে কুমিল্লা

29 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: অবশেষে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইন। রোববার  এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল -আইসিসি। গত ৭ নভেম্বর পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডেতে নারাইনের অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হয়েছিল আম্পায়ারদের। আনুষ্ঠানিক অভিযোগও আনেন। বিপিএল খেলতে আসার আগে গত ১৭ নভেম্বর লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েছিলেন নারাইন। নিয়ম অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ঘরোয়া্ লিগগুলোতেও বোলিং করতে পারবেন না নারাইন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড চাইলে নিজেদের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবেন এই স্পিনার। এদিকে, রোববার সিলেট সুপার স্টার্সের বিপক্ষেও খেলার কথা ছিল তার। ম্যাচের আগের দিন দলের অন্যতম সেরা অস্ত্রকে হারিয়ে বিপাকেই পড়ে গেল কুমিল্লা।

নভেম্বর ২৯, ২০১৫
বিপিএলের ফাইনালে সন্ধ্যায় মুখোমুখি কুমিল্লা-বরিশাল - image

বিপিএলের ফাইনালে সন্ধ্যায় মুখোমুখি কুমিল্লা-বরিশাল

14 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিআরবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএল এর তৃতীয় আসরের উত্তেজনা ফুরাচ্ছে মঙ্গলবার। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে মাশরাফি বিন মুর্তজার কুমিল্লা ভিকটোরিয়ান্স এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বরিশাল বুলস। কে হবে চ্যাম্পিয়ন, তা নিয়ে আলোচনা রয়েছে সোমবার থেকেই। এবারের আসরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় এগিয়ে আছে কুমিল্লা। গ্রুপ পর্বের দুবারের সাক্ষাতে দুবারই তারা হারিয়ে দিয়েছে বরিশালকে। কুমিল্লার বিপক্ষে বরিশালের আহামরি পারফরম্যান্সও ছিল না। কিন্তু একে তো গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেট, তার ওপর টি-টোয়েন্টি। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে বলা কঠিন, কে জিতবে। অবশ্য শেষ ম্যাচে বরিশালের খেলা দেখে অনেকেই হয়তো তাদের ফেভারিট ভাবতে পারেন। ক্রিস গেই চলে গেলেও, ওই ম্যাচে সাব্বির রহমানকে ব্যাট হাতে যে রুদ্রমূর্তিতে দেখা গেছে, আজও তা অব্যাহত থাকলে, কুমিল্লার জন্য বিপদ হতে পারে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০১৫
নেপালকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ - image

নেপালকে হারিয়ে স্বপ্নের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

05 ফেব্রুয়ারি 2016, বিকাল 6:00

নেপালকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের সেমিফা্ইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। নেপালের দেওয়া ২১২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌছে যায় বাংলাদেশের যুবারা। ২০০৬ এ শ্রীলঙ্কায় যে কাজটি করতে পারেনি মুশফিক-সাকিব-তামিমরা; সেটাই করে দেখালো ১১তম আসরে এসে মিরাজ-শান্ত-পিনাক ঘোষরা। বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো নিয়ে গেলেন অর্নূর্ধ্ব – ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ইতিহাস রচনায় কোয়ার্টর ফাইনালের শুরুটা বেশ ভালো করেছিলো বাংলাদেশের যুবারা। ৬ বলের ব্যবধানে নেপালের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিয়ে শুরুতেই আঘাত হেনেছিল ১৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নেপাল প্রথম প্রতিরোধ করে তৃতীয় উইকেটে ৪৪ রানের জুটিতে। ক্রমেই দুশ্চিন্তা বাড়াতে থাকা জুটিটা বাংলাদেশ ভেঙেছে দুর্দান্ত এক রান আউটে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। চতুর্থ উইকেটে নেপালের যুবারা দারুণ খেলছিলেন। যাকে বলে ‘ক্লেভার ক্রিকেট’। বাউন্ডারি আসছিল, সঙ্গে সিঙ্গেল নিয়ে রানের চাকা সচল রাখা। এক সময় ওভারে ছয়েরও ওপরে রান পাচ্ছিল নেপাল। ভাগ্যও যেন পাশে ছিল তাদের। স্পিনে কাজ হচ্ছে না দেখে অধিনায়ক মিরাজ আবার আক্রমণে নিয়ে আসেন পেসার সাইফউদ্দিনকে। আর তাতেই বাজিমাত। দারুণ বোলিংকে বেশ উজ্জীবিত করে ফিল্ডিংটাও যদি দুর্দান্ত হয়। বাংলাদেশের যুবারা সেটাই করছেন। পুরো ম্যাচে নেপাল ৯ উইকেট হারালেও কাদের চারটি ছিলো রান আউট। তারপরও নেপালের স্কোর ২১১ হয় রাজ রিজালের ৭২ রানের সুবাদে। এবারের আসরে বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় রানের টার্গেট। আর যার অতিক্রমের শুরুতেই বাংলাদেশ ধাক্কাখায় ৫ রান করা সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে। এরপর নেপালের বোলারদের দেখেশুনে খেলতে থাকে বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যান পিনাক ঘোষ ও সাইফ হোসেন। তবে দলীয় ১৭ রানে সাইফের উইকেট হারায় টাইগাররা। দলীয় ৬৩ রানে আরেক ওপেনার পিনাক ঘোষ আউট হন। করেন ৩২ রান। ব্যক্তিগত ৮ রানে নাজমুল হাসান শান্ত আউট হলে চাপে পড়ে জুনিয়র টাইগাররা। এর পর ২২ ওভার এক বলে দলীয় ৯৮ রানে ৩৮ করে জয়রাজ ফিরলে শঙ্কা জাগে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু এর পর জাকির হোসেন এবং মেহেদী মিরাজ সব শঙ্কা উড়িয়ে দেন। দুজনেই তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। গড়ে তোলেন ১১৭রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ। শেষ পর্যন্ত আর কোন বিপদ না ঘটিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন দুজন। জাকির ৭৫ এবং মিরাজ ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ব্যাট হাতে ৫৫ রান এবং বল হাতে এক উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মেহেদী হাসাব মিরাজ। শুধু যুব বিশ্বকাপ বা ক্রিকেট নয়, যেকোন ধরনের খেলার বিশ্ব আসরে এই প্রথমবারের মত সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৬
ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশের সাংসদরা - image

ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশের সাংসদরা

23 মে 2016, বিকাল 6:00

অনলাইন ডেস্ক: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট মেম্বারদের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেলেও শেষ প্রীতি ম্যাচে ৮ উইকেটে হারতে হয়েছে বাংলাদেশের সাংসদের। ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৩০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান করে বাংলাদেশ সংসদ সদস্য ক্রিকেট দল। জবাবে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই ১৬৯ রান করে ইংল্যান্ড সংসদ দল। এর আগের দুই ম্যাচে বাংলাদেশ সংসদ সদ্যস্য দলের  সেরা দুই তারকা সোহেল তাজ এবং জাহিদ আহসান রাসেল এ ম্যাচে মাঠে নামেননি। এদিকে ইংল্যান্ড দলে মাত্র ৩ জন এমপি মাঠে নামেন। বাকি ৮ জন পেশাদার ক্রিকেটার।

মে ২৩, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo