logo
youtube logotwitter logofacebook logo

কলকাতায়

টেলিফিল্ম ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’ - image

টেলিফিল্ম ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’

11 সেপ্টেম্বর 2016, বিকাল 6:00

প্রচার- ঈদের আগের দিন, রাত ১১টা ৫০মিনিট রচনা- প্রিয় চট্রোপাধ্যায়, পরিচালনা- জি এম সৈকত। এটিএন বাংলায় ঈদের আগের দিন রাত ১১টা ৫০ মিনিটে প্রচার হবে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ শিল্পী সমন্বয়ে অভিনীত বিমানে চিত্রায়িত ঈদের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’। প্রিয় চট্রোপাধ্যায়ের রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন জি এম সৈকত। দুই বাংলার দু’টি চরিত্র মনীষা আর সন্দীপন। এদের ভালোবাসার কাহিনী দিয়ে সাজানো হয়েছে টেলিফিল্মের গল্পটি। দুই বাংলার রোমান্টিক গল্পটিতে অভিনয় করেছেন পরান বন্দোপাধ্যায় (ভারত), তথাগত (ভারত), নাদের চৌধুরী (বাংলাদেশ), অস্পরা সুহি (বাংলাদেশ) সহ আরো অনেকে। মনীষা ঢাকা থেকে কলকতায় আসে এম মিউজিক ডিগ্রী অর্জন করার জন্য রবীন্দ্র ভারতীতে, সেই সুবাদে মনীষার বান্ধবী আঁখির ভাই সন্দীপনের সাথে তার পরিচয় হয়। তাদের এই পরিচয় এক সময় ভালোবাসায় পরিনত হয়। এর মধ্যে মনীষার কাকু ঢাকা থেকে বেড়াতে আসে কলকাতায়। তখন সে তাদের ভালোবাসার কথা জানতে পারে এবং বাংলাদেশে ফিরে সে মনীষার বাবা-মার সাথে সব কথা খুলে বলে। মনীষার বাবা তখন অসুস্থার অযুহাতে মনীষাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনে এবং তার মনের বিরুদ্ধে তাকে বিয়ে দেয়। সন্দীপন সব জানার পর সে আর বিয়ে করে না। এক সময় সে ডাক্তারি প্রাক্টিস্ এর জন্য ঢাকাতে আসে। প্রাক্টিস্ শেষ করে কলকাতায় ফেরার পথে বিমানে হোস্টেস এর ড্রেসে মনীষার মতই চেহারার আয়শকে দেখে। এদিকে মনীষা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় আসে চিকিৎসার জন্যে। সেখানে তার দেখা হয় সন্দীপনের সাথে। সন্দীপন তখন জানতে পারে আয়শা হচ্ছে মনীষার মেয়ে এবং তার স্বামীর সাথে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে। সন্দীপন মনীষার মেডিকেল রিপোটে দেখে- মনীষা একেবারে মৃত্যুর দারপ্রান্তে পৌছে গেছে যেখান থেকে তাকে ফেরানো সম্ভব নয়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৬
প্রথমবার কলকাতার সিনেমায় সিয়াম - image

প্রথমবার কলকাতার সিনেমায় সিয়াম

04 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

প্রথমবারের মতো কলকাতার সিনেমায় অভিনয় করবেন বাংলাদেশের সিয়াম আহমেদ। সিনেমার নাম এখনো ঠিক হয়নি। সায়ন্তন ঘোষাল পরিচালিত সিনেমার মূখ্য ভূমিকায় থাকছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শ্রাবন্তী ও আয়ুষী তালুকদার। পারিবারিক গল্পের এই সিনেমায় সিয়ামের বিপরীতে থাকছেন আয়ুষী। সিয়াম জানালেন, সিনেমার শুটিং শুরু হবে আগামী আগস্ট থেকে। চমকপ্রদ ব্যাপার—সিয়ামের গল্পভাবনা থেকেই তৈরি হচ্ছে সিনেমাটি। চিত্রনাট্য লিখছেন পদ্মনাভ দাশগুপ্ত। কলকাতার পরিচালক সায়ন্তন থ্রিলার গল্পে সিদ্ধহস্ত। একাধিক প্রশংসিত থ্রিলার সিনেমা বানিয়েছেন। তবে এবার নাকি থ্রিলার নয়, নতুন ধারার গল্প বলবেন তিনি। সেই গল্পেরই অংশ হলেন সিয়াম আহমেদ। সায়ন্তন বলেন, ‘গল্পের প্রেক্ষাপট লন্ডন। সোশ্যাল ড্রামা বলতে পারি। গল্পে সিরিয়াস একটা বিষয় তুলে ধরব মজার ছলে।’ সিনেমায় প্রসেনজিৎ অভিনয় করবেন লন্ডনের এক ব্যবসায়ীর চরিত্রে। তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে থাকছেন শ্রাবন্তী। দুজনের বয়সের বড় ব্যবধান দেখানো হবে। আয়ুষী কাজ করেন প্রসেনজিতের অফিসেই। আয়ুষীর প্রেমিক সিয়াম আহমেদ। একটা সংকট মুহূর্ত এই চারজনকে এক জায়গায় নিয়ে আসে। এর বেশি কাহিনি বলতে চাননি কেউ। সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘অনেক দিন ধরে পরিকল্পনা চলছে। প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে চাচ্ছিলেন ওখানকার সিনেমায় আমাকে নিয়ে কাজ করতে। কিন্তু মনের মতো গল্প পাওয়া যাচ্ছিল না। আমি চাইছিলাম কলকাতায় প্রথম যে সিনেমাটি করব, তার সঙ্গে আমার দেশের দর্শকেরাও যেন রিলেট করতে পারে। যেহেতু আমাদের আবেগ-অনুভূতি প্রায় একই ধরনের, সেই জায়গা থেকেই সোশ্যাল ড্রামার গল্প আমরা সিলেক্ট করেছি। দুই জেনারেশনের গল্প নিয়ে সিনেমা।’ প্রসেনজিতের সঙ্গে কাজ করা প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, ‘গল্পটা শেয়ার করার পর বুম্বাদাও খুব পছন্দ করেন। ওনার সঙ্গে এই প্রজেক্ট নিয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি; তবে তিনি এর আগে যখন বাংলাদেশে এসেছিলেন, তখন আলাপ হয়েছিল।’ সিয়ামকে কাস্ট করে বেশ উচ্ছ্বসিত প্রযোজক শ্যামসুন্দর দে। তিনি বলেন, ‘সিয়াম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সিনেমার অন্যতম নাম। আমাদের এখানে অভিনেতাদের অপশন কম। নতুন মুখ প্রয়োজন, সে জন্যই সিয়ামকে নিয়ে কাজটি করছি। আশা করি, আমাদের এখানকার দর্শকেরও ওর কাজ ভালো লাগবে।’

জুলাই ০৪, ২০২২
মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া আহসান - image

মুগ্ধতা ছড়ালেন জয়া আহসান

06 জুলাই 2022, বিকাল 6:00

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। নিজেকে কীভাবে সময়ের সঙ্গে মানাতে হয় সেটা তার মতো হয়তো অন্য কেউ ভালো জানে না। ভিন্ন ভিন্ন রূপে সবাইকে তাক লাগান। তারই ধারবাহিকতায় এবার তিনি নতুন লুকে হাজির হয়েছেন। সম্প্রতি প্রকাশ করা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে জয়ার গলা জড়িয়ে রেখেছে সোনালি সুতোর মতো নেকলেস, বুকের খাঁজ বেয়ে নেমে গেছে তা। অন্য একটি ছবিতে জিন্স পরেছেন জয়া, যার হাঁটুর কাছে বেশ খানিকটা কাটা। সাদা টপ আর নিচে জিন্স পরা। আর গোটা কাঁধজুড়ে এলিয়ে আছে জয়ার লম্বা সোজা টুল। কালোর উপর সে চুলে হালকা খয়েরি রঙ যেন রূপ খুলে দিয়েছে আরও বেশি করে। অভিনয়ের পাশাপাশি এমনিতেই এই অভিনেত্রী সৌন্দর্য ছড়িয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছেন। এবার এই আবেদনময়ী ছবি দেখে তো দর্শকদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে উত্তেজনা। এদিকে মুক্তির প্রতীক্ষায় আছে তার অভিনীত একাধিক ছবি। এরমধ্যে তার অভিনীত কলকাতায় বেশ কয়েকটি ছবির কথা শোনা যায়। বিশেষ করে হারবার্ট, চতুরঙ্গ, মহানগর কলকাতা এবং কাঙাল মালসার্ট ছবিগুলোর নির্মাতা সুমন মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবি ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’।

জুলাই ০৬, ২০২২
নায়করাজকে হারানোর ৫ বছর - image

নায়করাজকে হারানোর ৫ বছর

20 আগস্ট 2022, বিকাল 6:00

দেখতে দেখতে চলে গেল পাঁচটি বছর। ২০১৭ সালের আজকের এ দিনে (২১ আগস্ট) ঢাকাই সিনেমার কালজয়ী অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক মৃত্যুবরণ করেন। রোববার তার পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বড় এই নক্ষত্রের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতায়। সাদাকালো থেকে রঙিন সেলুলয়েডের দীর্ঘ ইতিহাসে দাপুট অবস্থান তার। রাজ্জাক অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো রূপালি জগতকে যেমন করেছে আলোকিত, তেমনি করেছে সমৃদ্ধ। তবে তার চলার পথটা খুব একটা মসৃণ ছিল না।সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় মঞ্চ নাটকে হাতেখড়ি হয় রাজ্জাকের। ১৯৬৪ সালে নতুন জীবন গড়তে সপরিবারে বাংলাদেশে পাড়ি জমানো রাজ্জাক কঠোর পরিশ্রম আর সংগ্রাম করেছেন। ‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রের পরিচালক আব্দুল জব্বার খানের সহযোগিতায় বাংলাদেশি সিনেমায় কাজের সুযোগ পান রাজ্জাক। ১৯৬৬ সালে ‘১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ চলচ্চিত্রে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু হয় তার। একই বছর জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রে সুচন্দার বিপরীতে নায়ক হিসেবে ঢালিউডে প্রথম উপস্থিত হয়েই সবার মন জয় করে নেন রাজ্জাক। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ক্যারিয়ারের মাত্র আট বছরেই শতাধিক সিনেমার মাইলফলক স্পর্শ করে ফেলেন এই নায়ক। এ অভিনেতাকে নায়করাজ উপাধি দিয়েছিলেন চিত্রালীর সম্পাদক আহমদ জামান চৌধুরী। তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে। অভিনয়ের বাইরে রাজ্জাক সফল ছিলেন প্রযোজক-নির্মাতা হিসেবেও। প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন ১৬টি চলচ্চিত্র। রাজ্জাক অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে- ‘স্লোগান’, ‘আমার জন্মভূমি’, ‘অতিথি’, ‘কে তুমি’, ‘স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা’, ‘প্রিয়তমা’, ‘পলাতক’, ‘ঝড়ের পাখি’, ‘খেলাঘর’, ‘চোখের জলে’, ‘আলোর মিছিল’, ‘অবাক পৃথিবী’, ‘ভাইবোন’, ‘বাঁদী থেকে বেগম’, ‘সাধু শয়তান’, ‘অনেক প্রেম অনেক জ্বালা’, ‘মায়ার বাঁধন’, ‘গুণ্ডা’, ‘আগুন’, ‘মতিমহল’, ‘অমর প্রেম’, ‘যাদুর বাঁশী’, ‘অগ্নিশিখা’, ‘বন্ধু’, ‘কাপুরুষ’, ‘অশিক্ষিত’, ‘সখি তুমি কার’, ‘নাগিন’, ‘আনারকলি’, ‘লাইলী মজনু’ ইত্যাদি। নায়করাজ সর্বশেষ ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ‘আয়না কাহিনী’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছিলেন। এই চলচ্চিত্রে জুটি হিসেবে অভিনয় করেছিলেন সম্রাট ও কেয়া। এরপর আর নতুন কোনও চলচ্চিত্র নির্মাণে তাকে দেখা যায়নি। দীর্ঘ কর্মজীবনে আজীবন সম্মাননাসহ মোট ছয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন রাজ্জাক। এছাড়াও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য রাষ্ট্র তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করে।

আগস্ট ২০, ২০২২
আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে ‘মায়ার জঞ্জাল’ - image

আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে ‘মায়ার জঞ্জাল’

22 ফেব্রুয়ারি 2023, বিকাল 6:00

আগামীকাল (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুই বাংলায় একসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমা ‘মায়ার জঞ্জাল’। ‘ফড়িং’ খ্যাত ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর পরিচালিত সিনেমাটির মাধ্যমে ১৯ বছর পর বড় পর্দায় আসছেন অভিনেত্রী অপি করিম। তার বিপরীতে আছেন ওপার বাংলার অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সনি স্কয়ারে স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। অতিথি তালিকায় দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারা ছিলেন। দুর্দান্ত অভিনয়, চমৎকার গল্প গাঁথুনি এবং নির্মাণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারা। জানা গেছে, ‘মায়ার জঞ্জাল’ সিনেমায় অপি করিমের চরিত্রের নাম সোমা। সোমার স্বামী চাঁদু চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী। গণেশ বাবু চরিত্রে ব্রাত্য বসু, বিউটির ভূমিকায় চান্দ্রেয়ী ঘোষ এবং সত্য চরিত্রে আছেন সোহেল মণ্ডল। এ ছাড়াও দেখা যাবে কলকাতার পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, শাঁওলি চট্টোপাধ্যায়, দীপক হালদার, জয়দীপ মুখার্জি, অমিত সাহা ও কমলিকা ব্যানার্জিকে। এর শুটিং হয়েছে ঢাকা ও কলকাতায়। সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভিউজ অ্যান্ড ভিশনস জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রেক্ষাগৃহে উপভোগ করা যাবে ‘মায়ার জঞ্জাল’। ঢাকার বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাস, শ্যামলী, কেরানীগঞ্জের লায়নস, নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপ, চট্টগ্রামের সুগন্ধা ও সিলভার স্ক্রিন, সাভারের সেনা অডিটোরিয়াম, বগুড়ার মধুবন, রংপুরের শাপলা, ময়মনসিংহের ছায়াবাণী, খুলনার লিবার্টি এবং শঙ্খ প্রেক্ষাগৃহে এর প্রদর্শনী চলবে। এর আগে চীনের মর্যাদাসম্পন্ন সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের এশিয়ান নিউ ট্যালেন্ট অ্যাওয়ার্ডের অফিসিয়াল সিলেকশনে ‘মায়ার জঞ্জাল’ সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। এরপর মস্কো, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, লন্ডন ও ঢাকার বিভিন্ন উৎসবে অংশ নিয়ে পুরস্কার পেয়েছে সিনেমাটি। আর্টহাউস চলচ্চিত্রের বিশ্বসেরা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘মুবি ডটকম’-স্থান পেয়েছে ‘মায়ার জঞ্জাল’। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশের ভিউজ অ্যান্ড ভিশনস এবং কলকাতার প্রতিষ্ঠান ফ্লিপবুক।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৩
কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন - image

কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন

16 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

যথাযথ মর্যাদায় কলকাতায় পালন করা হলো ঐতিহাসিক 'মুজিবনগর দিবস'। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরে এই বৈদ্যনাথ তলাকেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর নামকরণ করা হয়। এ উপলক্ষে সোমবার (১৭ এপ্রিল) কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন চত্বরে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর হাইকমিশন প্রাঙ্গণে 'মুজিব চিরঞ্জীব' মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস, প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন, মিনিস্টার (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান সিকদার মোহাম্মদ আশরাফুর রহমান, কাউন্সেলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) রিয়াজুল ইসলাম, কাউন্সেলর (কনস্যুলার) এএসএম আলমাস হোসেন। এরপর বাংলাদেশ গ্যালারীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী প্রেরিত বানী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে কাউন্সেলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) রিয়াজুল ইসলাম, কাউন্সেলর (কনস্যুলার) এএসএম আলমাস হোসেন, দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম। মুজিবনগর দিবস নিয়ে আলোচনা করেন প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন। আলোচনায় উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে তার সুযোগ্য সহযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। সে সরকারের দাপ্তরিক কার্যক্রম কলকাতা থেকে পরিচালিত হলেও সরকার শপথ নিয়েছিল বাংলাদেশ ভূখন্ডে।  মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টিতে এই শপথ অনুষ্ঠান বড় বার্তা দিয়েছিল। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন উপ-হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম। সবশেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
বাড়িতে আনা হয়েছে সমরেশ মজুমদারের মরদেহ - image

বাড়িতে আনা হয়েছে সমরেশ মজুমদারের মরদেহ

08 মে 2023, বিকাল 6:00

হাসপাতাল থেকে কলকাতার শ্যামপুকুর স্ট্রিটের বাড়িতে আনা হয়েছে কথাসাহিত্যিক সমরেশ মজুমদারের মরদেহ। আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে নয়টায় মরদেহ নিয়ে আসা হয়। শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে কলকাতার নিমতলা মহাশ্মশানে। তবে সমরেশ মজুমদারের মেয়ে দোয়েল মজুমদার জানিয়েছেন, তার বাবার প্রয়াণ উপলক্ষে কোনো আচার-অনুষ্ঠান হবে না। দোয়েল বলেন, ‘রবীন্দ্র সদনে তার মৃতদেহ থাকবে না। আজ সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত শ্যামপুকুর স্ট্রিটের বাড়িতেই মরদেহ রাখা হবে। বাবা চাইতেন না বলে তাই কোনো আচার-অনুষ্ঠান হবে না। দুপুরে নিমতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।’ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বেসরকারি হাসপাতাল অ্যাপোলোয় গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় মারা যান সমরেশ মজুমদার। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। গত ২৫ এপ্রিল মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ভর্তি করানো হয়েছিল সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারজয়ী সাহিত্যিককে। এরপর শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা বাড়তে থাকে। আগে থেকেই সমরেশের সিওপিডির সমস্যা ছিল। ‘ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা’ ও (স্লিপ অ্যাপনিয়া) বাড়তে থাকে। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ১৯৬৭ সালে দেশ পত্রিকায় ‘দৌড়’ প্রকাশিত হওয়ার পর ‘কালবেলা’, ‘কালপুরুষ’, ‘উত্তরাধিকার’ লিখেন সমরেশ মজুমদার। এ ছাড়া ‘সাতকাহন’, ‘গর্ভধারিণী’, ‘অর্জুন’, ‘মেজরের অ্যাডভেঞ্চার’সহ অনেক পাঠকপ্রিয় উপন্যাস লিখেছেন তিনি, পেয়েছেন অনেক সম্মাননা।

মে ০৮, ২০২৩
নিমতলা মহাশ্মশানে সমরেশ মজুমদারের শেষকৃত্য সম্পন্ন - image

নিমতলা মহাশ্মশানে সমরেশ মজুমদারের শেষকৃত্য সম্পন্ন

08 মে 2023, বিকাল 6:00

দুই বাংলার কালজয়ী কথাসাহিত্যিক ও কালবেলা উপন্যাসের স্রষ্টা সমরেশ মজুমদারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিমতলা মহাশ্মশানে নেওয়ার পর তার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের ডেপুটি হাই-কমিশনার ও সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের পুত্র আন্দালিব ইলিয়াস, প্রথম সচিব প্রেস রঞ্জন সেন, কলকাতার মহা নাগরিক মেয়র ও পশ্চিমবঙ্গের নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য, প্রদেশ কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল, বামফ্রন্ট সেক্রেটারি বিমান বসু, সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম,পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। সোমবার (৮ মে) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮১ বছর। বেশ ক’দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। গত ২৫ এপ্রিল মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিলো এই সাহিত্যিককে। এরপর শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা বাড়তে থাকে। আগে থেকেই সমরেশের সিওপিডি সমস্যা ছিলো। হাসপাতালে ‘ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্টের সমস্যা’ (স্লিপ অ্যাপমিয়া) বাড়তে থাকে। সমরেশ মজুমদার জন্মগ্রহণ করেন বাংলা ১৩৪৮ সনের ২৬শে ফাল্গুন, ১০ই মার্চ ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দ। তার শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে। তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল থেকে। তিনি কলকাতায় আসেন ১৯৬০ সালে। বাংলায় স্নাতক সম্পন্ন করেন কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবনে তিনি আনন্দবাজার পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেডএর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গ্রুপ থিয়েটারের প্রতি তার প্রচণ্ড আসক্তি ছিলো। তার প্রথম গল্প ‘অন্যমাত্রা’ লেখাই হয়েছিলো মঞ্চনাটক হিসেবে। আর সেখান থেকেই তার লেখকজীবনের শুরু। তার লেখা ‘অন্যমাত্রা’ ছাপা হয়েছিলো দেশ পত্রিকায় ১৯৬৭ সালে। সমরেশ মজুমদারের প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’ ছাপা হয়েছিলো দেশেই ১৯৭৫ সালে। তিনি শুধু তার লেখনী গল্প বা উপন্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি; ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি থেকে গোয়েন্দাকাহিনি, কিশোর উপন্যাস লেখনীতে তার জুড়ি মেলা ভার। তার প্রত্যেকটি উপন্যাসের বিষয় ভিন্ন, রচনার গতি এবং গল্প বলার ভঙ্গি পাঠকদের আন্দলিত করে। চা বাগানের মদেসিয়া সমাজ থেকে কলকাতার নিম্নবিত্ত মানুষেরা তার কলমে উঠে আসেন রক্ত-মাংস নিয়ে। সমরেশ মজুমদারের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলির মধ্যে সাতকাহন, তেরো পার্বণ, স্বপ্নের বাজার, উজান, গঙ্গা, ভিক্টোরিয়ার বাগান, আট কুঠুরি নয় দরজা, অনুরাগ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তার ট্রিলজি ‘উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ’ বাংলা সাহিত্য জগতে তাকে বিশেষ খ্যাতির অধিকারী করেছে। অনেক অসাধারণ লেখনীর শব্দের এই রূপকার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৮২ সালে আনন্দ পুরস্কার, ১৯৮৪ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কার এবং আইয়াইএমএস পুরস্কার জয় করেছেন। চিত্রনাট্য লেখক হিসাবে জয় করেছেন বিএফজেএ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির এওয়ার্ড। সমরেশ কলকাতা ও বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা লেখক হিসাবে পাঠকমন জয় করেছেন।

মে ০৮, ২০২৩
সালমানের নিরাপত্তায় ৭০০ পুলিশকর্মী - image

সালমানের নিরাপত্তায় ৭০০ পুলিশকর্মী

12 মে 2023, বিকাল 6:00

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান এক যুগ পর কলকাতায় যাচ্ছেন। এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে অনুরাগীদের মধ্যে প্রচণ্ড উন্মাদনা কাজ করছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানকে ঘিরে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি ও কড়া নিরাপত্তার নিশ্চিত করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ সূত্র জানায়, সালমানের অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন ৭০০ পুলিশকর্মী। অভিনেতার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার এবং দুজন জয়েন্ট পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার, সাতজন ডিসিসহ ৭০০ পুলিশকর্মী। পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারিতেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শহরের পা রাখার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দেখা করার কথা রয়েছে তার। সালমানকে দই-মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়নের পরিকল্পনা রয়েছে কলকাতার। শহরে পৌঁছে আলিপুরের একটি পাঁচতারা হোটেলে উঠবেন ভাইজান। সন্ধ্যায় কলকাতার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মাঠে হবে অনুষ্ঠান। কোথাও যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই কাজ করবে কলকাতা পুলিশ।

মে ১২, ২০২৩
সালমানের সঙ্গে সাক্ষাত, অভি‌জ্ঞতা জানালেন আয়ুশী - image

সালমানের সঙ্গে সাক্ষাত, অভি‌জ্ঞতা জানালেন আয়ুশী

15 মে 2023, বিকাল 6:00

বলিউড তারকা সালমান খান এ সপ্তাহে কলকাতা সফরে গিয়েছিলেন। সালমানের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিলেন টলিপাড়ার অভিনেত্রী আয়ুশী তালুকদার। সালমানের ভক্ত আয়ুশী বলেন, যে দিন প্রথম শুনেছিলাম যে, উনি কলকাতায় আসছেন, তখন থেকে আমি চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু তার চারপাশে কড়া নিরাপত্তা। তাই বুঝতে পারছিলাম না, কীভাবে সাক্ষাৎ কবে। শেষে অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় সালমানের সঙ্গে দেখা করেন আয়ুশী। তিনি বলেন, পূজা মুম্বাইয়ে কাজ করেন। সালমানের টিমের একজনের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাতেই বিষয়টা সহজ হয়ে যায়। আয়ুশী জানালেন, শোয়ের শেষে মাঝরাতে সালমানের হোটেলের স্যুইটে সুপারস্টারের সঙ্গে তিনি ও পূজা দেখা করেন। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, শেরা দরজার বাইরে ছিলেন। আমি ভেতরে ঢোকার পর চোখের সামনে সালমানকে দেখে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! আমাদের দেখেই এমনভাবে সোফায় বসতে বললেন যেন কত দিনের পরিচিত।তারপর শো কেমন হয়েছে, আয়ুশীর কাছে তা জানতে চান সালমান। আয়ুশী বললেন, উনি তার আগেই ৩-৪ ঘণ্টা পারফর্ম করেছেন। এ দিকে রাত ২টার দিকে আবার মুম্বাইয়ের বিমান ধরবেন। কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই। সালমানের সঙ্গে শুধু ছবি তোলাই নয়, অভিনেতার আতিথেয়তায় মুগ্ধ আয়ুশী। বললেন, উনি আমাদের স্ন্যাক্‌স অফার করলেন। আমি সেটা খাব কী, তখন সময়টা আমার জন্য থেমে গিয়েছিল। সালমানের জন্য তার টিমের তরফে কলকাতার বিশেষ বিরিয়ানির বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আয়ুশী বললেন, উনি জানতেন যে, আমরা শো দেখে সরাসরি এসেছি। আমাদের বিরিয়ানি অফার করলেন। আরও একবার আমার অবাক হওয়ার পালা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর খাইনি। মুম্বাই ফিরে ‘টাইগার ৩’ ছবির শুটিংয়ে যোগ দেবেন সালমান। মঙ্গলবার এই শিডিউলে সালমানের সঙ্গে শাহরুখ খানের ক্যামিয়ো অংশের শুটিং হওয়ার কথা। আয়ুশীকে সেই শুটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান। তিনি বলেন, ‘‘পুজাদির বাড়ির পাশেই লোকেশন। আমাকে শুটিং দেখতে আমন্ত্রণ করেছেন সালমান। হতেই পারে, সোমবার রাতেই আমি ফ্লাইটে মুম্বাই পৌঁছে যেতে পারি! সালমানের সঙ্গে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য দেখা করেছিলেন আয়ুশী। বললেন, অল্প কয়েকজন বলিউড তারকার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু সালমানের সামনে সেগুলো তুচ্ছ। এই অভিজ্ঞতা কোনো দিন ভুলতে পারব না।

মে ১৫, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo