logo
youtube logotwitter logofacebook logo

উপকারিতা

শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ছোটদের পৃথিবী’ - image

শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ছোটদের পৃথিবী’

02 জানুয়ারি 2017, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: এটিএন বাংলায় আজ (০৩ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা ২৫মিনিটে প্রচার হবে শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ছোটদের পৃথিবী’। লিটন অধিকারী রিন্টু’র পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি ২০০৬ সাল থেকে সপ্তাহিকভাবে অনুষ্ঠানটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হচ্ছে। শিক্ষার পাশাপাশি শিশু বিনোদনকে প্রাধ্যন্য দিয়ে নির্মাণ করা হয়ে থাকে অনুষ্ঠানটি। পাপেট ও শিশুদের সংমিশ্রনে তৈরী এই সিরিজটি শিশুদের জন্য খুবই গুরত্বপূর্ণ। এটি দেখে শিশুরা খুবই উপকৃত হচেছ, যেমন তারা স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস ও নৈতিকতা স¤পর্কে জানতে পারছে ও তেমনি শিক্ষাও পাচ্ছে। তারা আরো জানতে পারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিশু সংস্কৃতির অজানা অনেক তথ্য। এই অনুষ্ঠানে আরো যে সব বিষয় তুলে ধরা হয় তা হলো বংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের লুকিয়ে থাকা শিশু প্রতিভা। বিভিন্ন বস্তুর সৃষ্টির রহস্য জানা, বিভিন্ন খাবারের গুনাবলী উপকারিতা ও অপকারিতা তুলে ধরা, ইসপের গল্প এনিমেশনের অথবা পাপেটের মাধ্যমে তৈরী করে শিক্ষা দেওয়া, সত্য কথা বলা, পড়াশুনায় মনোযোগী হওয়া, ছোটথেকেই কিভাবে সর্ঠিক ভাবে জীবন যাপন করা উচিৎ তাছাড়া ন্যায় ও অন্যায় সম্পর্কে ধারনা দিয়ে এই ধরনের বিষয় বস্তুর উপর ভিত্তি করে গল্প তৈরী করে আনন্দের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা দেওয়া হয়। ক্লাসের বাইরেও পরিবার থেকে শিশুরা শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। শিশু বয়সেই একটি শিশু মজার মজার বিনোদনমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে টিভি অনুষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে সেই বিষয়টিকেই অনুষ্ঠানের নির্মাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

জানুয়ারি ০২, ২০১৭
প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার ৭টি উপকারিতা - image

প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়ার ৭টি উপকারিতা

01 ফেব্রুয়ারি 2026, বিকাল 4:23

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সকালের নাশতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিবিদদের মতে, দিনের প্রথম খাবার যদি পুষ্টিকর হয়, তবে সারাদিন শরীর ও মন দুটোই থাকে চাঙা। এই দিক থেকে ডিম একটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। প্রতিদিন সকালের নাশতায় ডিম রাখলে যে উপকারগুলো পাওয়া যায়, তা নিচে তুলে ধরা হলো—১. উচ্চমানের প্রোটিনের চমৎকার উৎসডিমে রয়েছে সম্পূর্ণ প্রোটিন, যা শরীরের পেশি গঠন ও ক্ষয় পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং শরীর পায় প্রয়োজনীয় শক্তি।২. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়কডিমে থাকা প্রোটিন হজম হতে সময় নেয়, ফলে ক্ষুধা কম লাগে। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।৩. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়ডিমে থাকা কোলিন স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়তা করে। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা মানসিক কর্মক্ষমতা উন্নত করে।৪. চোখের স্বাস্থ্যে উপকারীডিমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এগুলো বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি দুর্বলতার ঝুঁকি কমাতে কার্যকর।৫. শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করেডিমে থাকা ভিটামিন বি–১২ ও রিবোফ্লাভিন শরীরে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে সারাদিন কাজ করার জন্য শরীর থাকে সতেজ ও কর্মক্ষম।৬. হাড় ও পেশি মজবুত করেডিমে রয়েছে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি প্রোটিন পেশি গঠনে সহায়তা করে, ফলে শরীর থাকে সবল।৭. ত্বক ও চুলের যত্নে কার্যকরডিমে থাকা বায়োটিন ও প্রোটিন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ডিম খেলে ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বজায় থাকে।সতর্কতাতবে যাদের কোলেস্টেরলজনিত সমস্যা বা বিশেষ কোনো শারীরিক জটিলতা রয়েছে, তাদের নিয়মিত ডিম খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।/টিএ 

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
অল্প বয়সে বিয়ে করার যত উপকারিতা - image

অল্প বয়সে বিয়ে করার যত উপকারিতা

01 এপ্রিল 2026, বিকাল 7:28

বিয়ের সঠিক বয়স কোনটি তা নিয়ে সমাজে নানা মতবিরোধ থাকলেও, জীবন এবং সম্পর্কের গভীরতা বোঝার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিয়ের সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। অনেকেই মনে করেন স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত বিয়ের কথা ভাবা উচিত নয়, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক সময়ে বিয়ে করা জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা জেনে নেব কম বয়সে বিয়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা।অল্প বয়সে বিয়ের অন্যতম বড় সুবিধা হলো দ্রুত সন্তান নেওয়ার মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া। বিয়ের শুরুর দিকে দম্পতিরা সন্তান লালন-পালনের বাড়তি চিন্তামুক্ত হয়ে অনেকটা সময় নিজেদের মতো কাটাতে পারেন। একে অপরের সঙ্গী হিসেবে জীবন উপভোগ করার এবং নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরির জন্য এই সময়টুকু অত্যন্ত মূল্যবান।বেশি বয়সে বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় বয়সের গাম্ভীর্য সম্পর্কের স্বতঃস্ফূর্ততায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের মধ্যে যে জড়তা বা দায়সারা মনোভাব তৈরি হতে পারে, তা দাম্পত্য জীবনে একঘেয়েমি নিয়ে আসে। তুলনায় কম বয়সে বিয়ে করলে সম্পর্কের উষ্ণতা এবং একে অপরের প্রতি মানসিক টান দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।শারীরিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকেও কম বয়সে বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বেশি বয়সে বিয়ের ফলে সন্তান জন্মদানে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া সন্তান জন্ম নিলেও তাদের বড় করে তোলার মতো পর্যাপ্ত শারীরিক শক্তি বা দীর্ঘমেয়াদী সময় পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অল্প বয়সে বিয়ে করলে সন্তান লালন-পালন ও পরবর্তী দায়িত্বগুলো অনেক বেশি সহজ ও সাবলীল হয়।বর্তমান সময়ে ডিভোর্সের হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো অপরিকল্পিত বা পরিস্থিতির চাপে হুট করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া। অল্প বয়সে বিয়ের ক্ষেত্রে দম্পতিরা একে অপরকে বোঝার ও মানিয়ে নেওয়ার জন্য অনেক বেশি সময় পান, যা ডিভোর্সের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। এছাড়া কোনো কারণে সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটলেও, অল্প বয়সে নতুন করে জীবন সাজানোর অঢেল সুযোগ থাকে।সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও অল্প বয়সে বিয়ের ইতিবাচক দিক রয়েছে। অনেক সময় অভিভাবকরা মনে করেন, সন্তানদের নির্দিষ্ট বয়সে বিয়ে দিলে তারা ভুল পথে বা সমাজ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার হাত থেকে রক্ষা পায়। অল্প বয়সে বিয়ের ফলে সন্তানরা দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে এবং একটি শৃঙ্খল জীবনযাপনের মাধ্যমে সামাজিকভাবেও সম্মানজনক অবস্থানে থাকতে পারে।তাই আগেভাগে বিয়ে করার আরেকটি বড় সুবিধা হলো অপ্রাসঙ্গিক ও বিরক্তিকর প্রশ্ন থেকে মুক্তি। বিয়ের বয়স পার হওয়ার পর আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ‘কবে বিয়ে করবে’ বা ‘কেন করছ না’—এমন হাজারো বিরক্তিকর প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। সঠিক সময়ে বিয়ে করে ফেললে এসব সামাজিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রেখে জীবনের নতুন অধ্যায় শান্তিতে শুরু করা সম্ভব।তবে অতি উৎসাহী না হয়ে দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা করা জরুরী। দেশে বাল্যবিবাহের শাস্তি হিসেবে বলা আছে প্রাপ্ত বয়স্ক কোনো নারী বা পুরুষ বাল্যবিবাহ করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে অনধিক ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।  স্বামী প্রাপ্ত বয়স্ক হলে তার দুই বছরের জেল ও ১ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। জরিমানা না দিতে পারলে আরও তিন মাস বেশি কারাবাস হবে।অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোনো নারী বা পুরুষ বাল্যবিবাহ করিলে তিনি অনধিক ১ (এক) মাসের আটকাদেশ বা অনধিক ৫০,০০০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় ধরনের শাস্তিযোগ্য হইবেন। /টিএ

এপ্রিল ০১, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo