logo
youtube logotwitter logofacebook logo

আইনমন্ত্রী

আদালত অবমাননার আইন করা হবে: আইনমন্ত্রী - image

আদালত অবমাননার আইন করা হবে: আইনমন্ত্রী

04 অক্টোবর 2015, বিকাল 6:00

শিগগিরই আদালত অবমাননার আইন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। রোববার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলয়নায়তনে ল রিপোর্টার্স ফোরামের কর্মশালায় তিনি বলেন, আদালতের সংবাদে ভুল হলে গণমাধ্যম কিংবা সংবাদকর্মীদের আদালত অবমাননার সম্ভাবনা থাকে। আদালত অবমাননা আইন, ২০১৩ এর কয়েকটি ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছিলেন দুই আইনজীবী। পরে আইনটি অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্ট। আইনমন্ত্রী বলেন: ১৯২০ সালে আদালত অবমাননার যে আইনটি করা হয়েছিল, বর্তমানে গণমাধ্যমের ব্যাপক প্রসারের ফলে তা অনেকটাই পুরোনো হয়ে পড়েছে। তাই আদালত অবমাননার একটি আইন থাকা উচিত বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী।

অক্টোবর ০৪, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
মামলা জট কমাতে বিচারকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান - image

মামলা জট কমাতে বিচারকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

25 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

বিচারে বিলম্ব ও মামলা জট কমাতে বিচারকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ থেকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের সর্বোচ্চ আন্তরিক হতে বলেছেন তিনি। শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন ২০১৫  উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, অষ্টম পেস্কেলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শিগগিরই বিচারকদের বেতন ভাতা বাড়ানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতি মামলা জট কামাতে বিচারকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জাস্টিস ডিলেইড, জাস্টিস ডিনাইড, এই প্রবাদটা যেন বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় থাকুক তা আমরা চাই না’।

ডিসেম্বর ২৫, ২০১৫
বিচারক অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া ‘অবৈধ’ - image

বিচারক অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া ‘অবৈধ’

04 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দিয়ে করা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত রুলের নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ সংগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এই আদেশ দেয়। আদেশে হাইকোর্ট বলে এরকম আইনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব হয় এবং আইনের অপব্যবহারের আশংকা থাকে। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে দিয়ে সংবিধানের সংশোধনী একটি বড় ধরণের দুর্ঘটনা। ২০১৪ সালের ১৭ সপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে সংবিধানের ১৬ তম সংশোধনী আনা হয়। বিচারপতিদের অপসারনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বাতিল করে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা বিচারপতিদের অপসারনের সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ, সিদ্ধান্ত হবে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে। ওই সংশোধনী পাশের পরপরই সুপ্রিমকোর্টের ৯ আইনজীবী একটি রিট দায়ের করে। রিটের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও রিটকারীরা ছাড়াও অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে চারজন সিনিয়র আইনজীবী এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশারাফুল কামালের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে সংবিধানের ১৬ তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করেন। তবে, আদালতের এ রায়ে সংক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপক্ষ। অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন রোববার তাঁরা আপিল করে রায়ের স্থগিতাদেশ চাইবেন। এদিকে সংশোধনী মোটেও অবৈধ নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মূল সংবিধানের কোনো ধারা অবৈধ বলতে পারেন না আদালত, এই তথ্য দিয়ে সংসদে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী রোববার কিংবা সোমবার এ রায়ের বিরুদ্ধে আপলি করা হবে। অন্যদিকে, ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতার বিষয়টি আপিলের রায়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে মনে করেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।

মে ০৪, ২০১৬
ষোড়শ সংশোধনী : হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন - image

ষোড়শ সংশোধনী : হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন

07 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত রাখার আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। রোববার সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি করা হয় বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে, ওই রায় দেওয়ার পরে সংসদ সদস্যরা রায়কে অবৈধ বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আবেগের বহি:প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী। বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দিলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব হবে, এ কারণে সংবিধানের ১৬ তম সংশোধনীকে হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেওয়ার দিনই সংসদ অধিবেশনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান সংসদ সদস্যরা। এই রায় সংবিধান পরিপন্থীও বলেন কেউ কেউ। সাংসদদের এমন মন্তব্যে বিচার বিভাগ আর জাতীয় সংসদ কি মুখোমুখি অবস্থানে চলে গেল? আইনমন্ত্রী বলছেন, সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে আদালত অবমাননা হয় না; আর সাংসদরাও আইনের প্রতি অশ্রদ্ধাশীল নন। বৃহস্পতিবার রায় দেবার পরই রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছিল, হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হবে। রোববার সেই আবেদন করার পর অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, শিগগির এই আবেদনের ওপর চেম্বার জজ আদালতে শুনানি হবে।

মে ০৭, ২০১৬
৫৪ ধারার অপব্যবহার হলে যথাযথ ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - image

৫৪ ধারার অপব্যবহার হলে যথাযথ ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

23 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৫৪ ধারা খারাপ না হলেও এর অপব্যবহার খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ৫৪ ধারার অপব্যবহার করা হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ সংক্রান্ত ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের নির্দেশনা দিয়ে উচ্চ আদালতের রায় দেয়ার পরপরই সচিবালয়ে আলাদাভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া জানান। তারা জানান,পূর্ণাঙ্গ রায়ের জন্য অপেক্ষা করছেন তারা, রায়ে বিশেষ কোন নির্দেশনা থাকলে বাস্তবায়ন করা হবে। এর আগে মঙ্গলবার পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের ধারা (৫৪ ধারা) ও পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ধারা (১৬৭ ধারা) সংশোধনের নির্দেশ দেয়া হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত- সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার। হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা আছে, অন্য মামলায় আটক দেখানোর জন্য ৫৪ ধারায় কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না। একইসঙ্গে গ্রেফতারের সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে। এছাড়া কাউকে গ্রেফতারের এক ঘন্টার মধ্যে তার স্বজনদের জানাতে হবে। আর গ্রেফতারের ৩ ঘন্টার মধ্যে ঐ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে স্বজন ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে, কাচঘেঁরা কক্ষে। হাইকোর্টের দেয়া এসব নির্দেশনা এই রায়ের ফলে পুলিশ মানতে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা। প্রায় এক যুগ আগে হাই কোর্ট বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার সংক্রান্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং রিমান্ড সংক্রান্ত ১৬৭ ধারা সংশোধনের নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের করা আপিল-ই মঙ্গলবার খারিজ করে দিলেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত ১৭ মে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ যে আপিল করেছিল, তার শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ। গ্রেপ্তারের পরে আসামির সঙ্গে কী আচরণ করা হবে এ নিয়ে আদালতের নির্দেশনা মানছে না পুলিশ। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানিতে এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেনে প্রধান বিচারপতি। বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা ও রিমান্ড সংক্রান্ত ১৬৭ ধারা বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনার বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি প্রায় একযুগ পরে অনুষ্ঠিত হয়। গত ২২ মার্চ শুরু হওয়া এই শুনানি শেষ গত ১৭ মে। শুনানির সময় আদালত, ৫৪ ধারার অপপ্রয়োগ এবং আসামি গ্রেপ্তারের পরে পুলিশের আচরণ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। ১৯৯৮ সালে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে শামীম রেজা রুবেল নামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার আকরাম হোসেন। গ্রেপ্তারের পরদিন মিন্টো রোডের গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে মারা যান রুবেল। এ ঘটনায় রুবেলের বাবা রমনা থানায় আকরামসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।  এ মামলায় ২০০২ সালে বিচারিক আদালত আকরামসহ ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। এরপর তৎকালীন সরকার রুবেল হত্যা তদন্তের জন্য বিচারপতি হাবিবুর রহমান খানের সমন্বয়ে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে কমিটি ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের পক্ষে কয়েকটি সুপারিশ করে। সুপারিশ বাস্তবায়িত না হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট ব্লাস্ট হাইকোর্টে রিট করে। ওই রিটের শুনানি শেষে ২০০৩ সালে বেশ কিছু নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট। সরকার নির্দেশনাগুলোর বিপক্ষে আপিলের আবেদন করে।

মে ২৩, ২০১৬
সংবিধান নিয়ে বিএনপি-জাতীয় পার্টি অনেক ফুটবল খেলেছে: আইনমন্ত্রী - image

সংবিধান নিয়ে বিএনপি-জাতীয় পার্টি অনেক ফুটবল খেলেছে: আইনমন্ত্রী

28 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া বাংলাদেশ সংবিধান নিয়ে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি স্বৈরাচার আমলে অনেক ফুটবল খেলেছেন। সুতরাং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার সকালে আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের মতবিনিময়সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমন মন্তব্য করেছেন। আনিসুল হক বলেন, ‘আগামী সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে হবে’। এ সময় আইনমন্ত্রী বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, বিএনপি তাদের চাকরি দিয়ে পুনর্বাসন করেছে। সেই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিচার করতে পারবে না বলেও আইন পাশ করেছিলেন খন্দকার মোস্তাক ও জিয়াউর রহমান। সেটিই আইনের শাসন মনে করে বিএনপি। আর আমরা মনে করি যেখানে আইন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, আইন যেভাবে লেখা আছে, সেভাবেই জনগণকে মেনে চলতে হবে, আমরা মনে করি সেটিই আইনের সুশাসন। মন্ত্রী বলেন, এখন আইনের শাসনই দেশে আছে এবং নৈরাজ্য নেই। আনিসুল হক বলেন, এখন দেশে হত্যার বিচার হয় না, এমন কথা কেউ বলতে পারবে না। বিএনপি যেখানে জিয়াউর রহমান হত্যার বিচার করতে পারে নেই। তাদের মুখে আবার আইনের শাসনের কথা। তিনি বলেন, এই যে কথা বলতে পারছি, কথা বলতে পারাটাই গণতন্ত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ওই দিনটিকে স্মরণ করে দিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে আইনের বইতে, যা লেখা আছে জনগণকে তা পালন করতে হয়, সরকার সেটি পালন করে, আর সেটি হলো আইনের সুশাসন। আর যারা বলে দেশে আইনের শাসন নেই, পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আইনের শাসন মানে কি, আসলে সেটিই বিএনপি জানে না। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সকালে ঢাকা থেকে আন্তঃনগর মহানগর প্রভাতী ট্রেনযোগে আখাউড়ায় এলে এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা, আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এপ্রিল ২৮, ২০২৩
হত্যাকারীদের মুক্তি দেয়া বিএনপির কাছে আইনের শাসন - image

হত্যাকারীদের মুক্তি দেয়া বিএনপির কাছে আইনের শাসন

28 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

হত্যাকারীদের মুক্তি দেয়াকে বিএনপি আইনের শাসন মনে করে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। শনিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া সংবিধান নিয়ে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অনেক ফুটবল খেলেছে। শেখ হাসিনা এটা বন্ধ করেছেন। এখন সংবিধান অনুযায়ী নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে। আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছেন। তিনি বলেন, যারা বলে আইনের সুশাসন নেই তারা নিজেরাই আইন জানে না। দেশে এখন আইনের শাসন আছে, নৈরাজ্য নেই।  হত্যাকারীদের মুক্তি দেয়াকে বিএনপি আইনের শাসন মনে করে। আওয়ামী লীগ তার অবসান ঘটিয়েছে। এখন সবাই কথা বলতে পারে। এটাই হলো গণতন্ত্র। মানুষ এখন বিচার পায়।

এপ্রিল ২৮, ২০২৩
‘যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য নয়, জনগণ দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে’ - image

‘যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য নয়, জনগণ দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে’

29 এপ্রিল 2023, বিকাল 6:00

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য নয়, বাংলাদেশের ভাগ্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশের জনগণ নির্ধারণ করবেন। আমরা জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক, আমরা স্বাধীন নাগরিক, আমাদের ভবিষ্যৎ আমরাই করব, বিদেশিরা নয়। রোববার দুপুরে ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর শহরের কসবা তফজ্জল আলী কলেজ মাঠে এবি ব্যাংকের উদ্যোগে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিএনপির এক নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির এক নেতা বলেছেন- বাংলাদেশের নির্বাচন কিংবা ভাগ্য আমরা মিটাতে পারব না। ভাগ্য মিটাতে হলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের প্রয়োজন হবে। আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্রে শুধু বিদেশিরাই নয়, ষড়যন্ত্রে এ দেশের একশ্রেণির লোক রয়েছে। তাদের কাজ হলো বিদেশিদের কান ভারি করা। ওরা বলে বাংলাদেশের মানুষ কষ্টে আছে। এটি সঠিক নয়, সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। তিনি বলেন, আমরা স্বীকার করছি দ্রব্যমূল্যের কিছুটা ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষের কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বব্যাপী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর শিকার আমরাও। তবে এবার আমাদের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমাদের সংকট হবে না।মন্ত্রী বলেন, বিএনপির শেষ বাজেট ছিল ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনবান্ধব ও সেবামূলক সরকারের আমলে বাজেট দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ কোটি টাকার উপরে। তিনি বলেন, আমাদের বাজেট আমরাই দেই; কিন্তু আপনারা জানেন বিএনপির আমলে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে দাতা সংস্থার সদস্যদের নিয়ে বৈঠক বসত বাংলাদেশকে কী পরিমাণ ঋণ এবং অনুদান দেওয়া হবে, সেই ঋণ এবং অনুদানের ওপর ভিত্তি করে এ দেশের বাজেট প্রণয়ন হতো। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যেখানে বক্তব্য দিতেন সেখানেই বলতেন- আমার কৃষকরা গায়ের ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলান। ওই বক্তব্যকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী কৃষি ঋণ চালু করেছেন। স্বল্প সুদের মাধ্যমে সহজ শর্তে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণ দিচ্ছে এবি ব্যাংক। এবি ব্যাংকের উদ্যোগে ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার এক হাজার আটশ কৃষকের মাঝে ১৮ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণ উপলক্ষ্যে কসবা তফজ্জল আলী কলেজ মাঠে এবি ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আমিমুল এহসান খান, কসবা পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম হাক্কানী, কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ছিদ্দিকা, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবদুল আজিজ, কসবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজেরা বেগম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কসবা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন, কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মো. আজহারুল ইসলাম, মো. রুহুল আমিন ভূঁইয়া, কসবা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. এমরান উদ্দিন প্রমুখ।

এপ্রিল ২৯, ২০২৩
দেশ ধ্বংসের চেষ্টা করছে দুই থেকে তিন রাজনৈতিক দল - image

দেশ ধ্বংসের চেষ্টা করছে দুই থেকে তিন রাজনৈতিক দল

01 মে 2023, বিকাল 6:00

বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য দুই থেকে তিনটি রাজনৈতিক দল খুব চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। মঙ্গলবার (২ মে) নির্বাচনী প্রচারণায় পথসভায় শোনলোইঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য দুই থেকে তিনটি রাজনৈতিক দল খুব চেষ্টা করছে। সেসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। তাদের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের মানুষই প্রতিহত করবে এবং ছিন্নভিন্ন করে দিবে। আপনারা শক্তি হিসেবে আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন, এটাই আমার বিশ্বাস। একমাত্র শেখ হাসিনার আমলে উন্নয়ন সম্ভব। আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের টাকায় পদ্মা সেতু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহহীনকে ঘর দিচ্ছে। আপনারা যদি তার হাতকে শক্ত করে এবং নৌকা মার্কায় আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে তাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবেন। তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।

মে ০১, ২০২৩
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo