
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
টানা ৩৮ দিনের সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দ্রুত শেষের দিকে এগোচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষ আলোচনায় বসলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। বরং সময় যত গড়াচ্ছে, ততই অনিশ্চয়তা বাড়ছে এবং নতুন করে সংঘাত শুরুর আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ করছেন বলে জানা গেছে। তবে ইরান অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটনের ধারাবাহিক হুমকি ও ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ’ আচরণের কারণে তারা আলোচনার টেবিল থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তেহরান থেকে যুদ্ধ পুনরায় শুরুর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রোববার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে
এদিকে ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় দেশটির সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে অবরোধ জোরদার করতে একাধিক যুদ্ধজাহাজ, হাজার হাজার সেনা এবং শতাধিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করলে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা থেমে নেই। মিসর ও পাকিস্তান এখনও দুই পক্ষকে আলোচনায় ফেরাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনা সফল না হলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।
/টিএ