
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে তারা ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে অবস্থিত রাডার এবং ড্রোন স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বাহিনীর এই হামলার পরপরই বিভিন্ন পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের সামরিক নজরদারি ও ড্রোন পরিচালনাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, যা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে কুয়েত কর্তৃপক্ষ তাদের ভূখণ্ডের দিকে ‘শত্রুতামূলক’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর দিয়েছে। একই সময়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে,
সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি ‘খুব ভালো চুক্তি’ করার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর আরও কঠোর শর্ত আরোপের চেষ্টা করছে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখে তিনি বলেছেন, “চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়।” বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক আলোচনা চললেও সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
/টিএ