
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
রোজার মাস এবং ঈদের লম্বা ছুটিতে আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও ঘুমের রুটিনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা এবং অনিয়মিত খাবারের কারণে অনেকেরই অজান্তে ওজন বেড়ে যায়। তবে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই; সঠিক পরিকল্পনা এবং সামান্য কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি দ্রুত আপনার আগের ফিটনেস ফিরে পেতে পারেন।
ওজন কমানোর যাত্রায় শুরুতেই পানির গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিন প্রতিটি প্রধান খাবারের অন্তত ৩০ মিনিট আগে পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন, যা আপনার অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে দেবে। পাশাপাশি হজমের সমস্যা বা পেট ফাঁপা দূর করতে আদা চা, পুদিনা পাতা বা গ্রিন-টি অত্যন্ত কার্যকরী, কারণ সুস্থ
পর্যাপ্ত এবং গভীর ঘুম ওজন কমানোর অন্যতম প্রধান শর্ত। প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নিয়মিত ঘুমালে শরীরের হরমোন ভারসাম্য ঠিক থাকে, যা অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। বিশেষ করে রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে শেষ করার অভ্যাস করুন; এতে শরীর খাবার হজম করার পর্যাপ্ত সময় পায় এবং চর্বি জমার সুযোগ কমে যায়।
আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে প্রক্রিয়াজাত এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার বর্জনের মাধ্যমে। এর পরিবর্তে প্রোটিন ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার যেমন—মাছ, ডিম, ডাল, তাজা শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে গ্রহণ করুন। এই খাবারগুলো দীর্ঘক্ষণ আপনার পেট ভরা রাখবে, ফলে বারবার অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ইচ্ছা জাগবে না।
দ্রুত ফলাফল পেতে শরীরচর্চার ক্ষেত্রে আপনি ‘৪০-২০’ নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন, যেখানে ৪০ সেকেন্ড দ্রুত ব্যায়াম এবং ২০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিতে হয়। এছাড়া ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা নির্দিষ্ট সময় পর পর খাওয়ার পদ্ধতিটি চর্বি পোড়াতে চমৎকার কাজ করে। নিয়মিত এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে ঈদের বাড়তি ওজন ঝরিয়ে আপনি আবারও হয়ে উঠবেন সতেজ ও প্রাণবন্ত।
/টিএ