
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের যে সুখবর দিলো সরকার!
ঘরের কোণে বসে কম্পিউটারের এক ক্লিকেই বর্তমানে বিশ্বজয় করছে এই সময়ের তরুণ প্রজন্ম। মেধা আর নতুন সব আইডিয়া দিয়ে তারা যেমন নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছে, তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও রাখছে বড় অবদান। তবে এতদিন কষ্ট করে বিদেশ থেকে আনা এই আয়ের একটা বড় অংশ কর হিসেবে কেটে রাখা হতো, যা নিয়ে তরুণদের মনে ছিলো এক ধরণের চাপা ক্ষোভ। এবার ফ্রিল্যান্সার আর কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সেই কষ্ট দূর করতে এবং তাদের মুখে হাসি ফোটাতে এক বড় ঘোষণা নিয়ে এসেছে সরকার।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ফ্রিল্যান্সার এবং স্বাধীন কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এসেছে এক মহাস্বস্তির খবর। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশ
তবে এই সুবিধা কেবল ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা প্রান্তিক পর্যায়ের স্বাধীন নির্মাতাদের জন্যই প্রযোজ্য হবে, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মিডিয়া হাউস এর আওতাভুক্ত থাকবে না। পাশাপাশি, দেশের ভেতরের ব্র্যান্ড প্রমোশন বা স্পনসরশিপের আয়ের ওপর নিয়মিত হারেই কর দিতে হবে। সরকারের এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের পর ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ইতোমধ্যেই উৎসে কর কর্তন স্থগিত করেছে এবং পূর্বে কেটে নেয়া অর্থ ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন খাতে আট লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে প্রতিশ্রুতি ছিল, এই কর মওকুফ তারই এক বাস্তব প্রতিফলন বলা যায়। ৫ লাখেরও বেশি ফ্রিল্যান্সার নিয়ে গড়ে ওঠা এই বিশাল খাতকে গতিশীল করতে সরকারের এই 'ইউ-টার্ন' দেশের আইটি বিপ্লবকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এফ/এইচ