বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন মো. ওবায়েদ উল্যা চৌধুরী ও মো. আবুল বসার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ-১ এর পরিচালক মো. শহীদ রেজা স্বাক্ষরিত এক অভ্যন্তরীণ আদেশে রবিবার (৩ মে) পদোন্নতির তথ্যটি জানানো হয়। উভয় কর্মকর্তাই ১৯৯৯ সালের ২৪ মার্চ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আদেশে বলা হয়, শিগগিরই তাদের দপ্তর বণ্টন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পদোন্নতি নীতিমালা-২০২২ অনুযায়ী শূন্য পদে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
নির্বাহী পরিচালক বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদোন্নতিযোগ্য পদ। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নর পদে সরকার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে থাকে।
ওবায়েদ উল্যা পদোন্নতি পাওয়ার আগে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি

সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দীর্ঘ ২৭ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, রংপুর অফিসসহ প্রধান কার্যালয়ের আওতাধীন ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট, ইক্যুইটি অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনারশিপ ফান্ড ইউনিট এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিতে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেশাগত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে তিনি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্মানসহ প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট থেকে তিনি সঙ্গে ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের উপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
অপরদিকে আবুল বসার পদোন্নতির আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল অফিসে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ ২৭ বছর কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগ, এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি, একাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি একজন কস্ট একাউন্টেন্ট। কর্মজীবন তিনি ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ভারত ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে প্রায়োগিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।