logo
youtube logotwitter logofacebook logo

মৃত্যুদণ্ড

মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, আদেশ বুধবার - image

মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, আদেশ বুধবার

16 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে মঙ্গলবার এই শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদেশের দিন ধার্য করেন আদালত। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে সুপিরিয়র নেতৃত্বের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পাওয়া মুজাহিদের পক্ষে রিভিউ শুনানিতে শুধু মৃত্যুদন্ডের শাস্তি কমানোর আবেদন করা হয়েছিল। মুজাহিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন তার প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আসামিপক্ষের যুক্তি; মুজাহিদ সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। এমনকী আল বদর বাহিনী সরাসরি পাকিস্তানী বাহিনী ছিল; তাই কমান্ডার হিসেবে মুজাহিদ অপরাধী হয়না বলে আদালতে তাঁরা দাবী করেন। পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে এটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, সেন্ট্রাল কমান্ড পাক বাহিণীর হাতে থাকলেও, স্থানীয় কমান্ডাররাও আল বদরের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করেছেন। এছাড়া মুজাহিদ সরাসরি সব হত্যাকান্ডে অংশ না নিলেও বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের মূল নকশাকারী হিসেবে ছিলেন তিনি। ৭১ এ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন স্থান মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারেও সেসময় নিয়মিত মুজাহিদ যাওয়া আসা করতেন। শুনানিতে আদালত বিচ্ছু জালালের সাক্ষ্য তুলে ধরেন। যেখানে সুরকার আলতাফ মাহমুদের হত্যাকান্ডে মুজাহিদের সরাসরি অংশ নেওয়ার প্রমান পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১৬ জুন একাত্তরের বদর প্রধান মুজাহিদের আপিলের রায় ঘোষণা করে সুপ্রিমকোর্ট। এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদনও একই বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও তা হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০১৫
সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর - image

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর

21 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে যুদ্ধপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দুইজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। রায় কার্যকরের আগে নিয়ম অনুযায়ী সাকা ও মুজাহিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। মৌলভী এসে ইসলামী রীতি অনুযায়ী আসামিদের তওবা পড়ান। এরপর ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেলকে। এরআগে, শনিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদের স্বজনরা দেখা করে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। তার আগে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদেরের সঙ্গে দেখা করে আসেন তার স্বজনরা। মুজাহিদের স্বজনরা বেরিয়ে আসার পর চারটি অ্যাম্বুলেন্স ঢুকে কারাগারের ভেতরে। দিনভর নানা আলোচনা চললেও রাত সাড়ে ৮টায় দেখা করতে স্বজনদের কারা কর্তৃপক্ষের আহ্বান এবং কারাগারের বাইরে নিরাপত্তা জোরদার জোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, রাতেই ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেওয়ায় রাতেই ফাসি কার্যকর করার বিষয়টি চলে আসে। রাত ১২টার মধ্যই কারাগারে শেষ দেখা করেছেন সাকা ও মুজাহিদের স্বজনরা। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। অপরদিকে মুজাহিদের লাশ ফরিদপুরে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। রায় কার্যকর  করতে পূর্বেই কারাগারে ছয়জন জল্লাদকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এরা হলেন, শাহজাহান, রাজু, আবুল, মাসুদ, ইকবাল ও মুক্তার। এছাড়া ফাসি কার্যকরের সময় কারাগারে ছিলেন দুই ম্যাজিস্ট্রেট, আইজি প্রিজন,  জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জন। শনিবার বিকেলে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রাণভিক্ষার আবেদনের নথি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে, বিকেলে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর পক্ষে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর আবেদন গ্রহণ না করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের করার পরামর্শ দেয় বঙ্গভবন কর্তৃপক্ষ। বিকেলে সাকার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি আবেদনপত্র নিয়ে বঙ্গভবনে যান। আবেদনে সালাউদ্দিন কাদেরের বিচার প্রক্রিয়াকে মিসট্রায়াল হিসেবে বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানানো হয়। পরে সালাউদ্দীন কাদেরের ছেলে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবার প্রাণভিক্ষার আবেদন সম্পর্কে নিশ্চিত নন তারা। এসময় নিজের বাবাকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন তিনি। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মুজাহিদ। আবেদনপত্রটি রাষ্ট্রপতির দফতরে পাঠানোর পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান। এর আগে ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে। এরপর ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল ফাঁসিতে ঝোলানো হয় জামায়াতের অপর সেক্রেটারি জেনারেল যুদ্ধাপরাধী মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে।

নভেম্বর ২১, ২০১৫
পাক হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ - image

পাক হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ

22 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুই যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানানোয়, পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে ডেকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মিজানুর রহমান ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার সুজা আলমকে ডেকে এ প্রতিবাদ জানান। সোমবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পাকিস্তানের হাই কমিশনারকে ডেকে আনা হয়। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় পাকিস্তান। এ ঘটনায় গভীরভাবে ব্যথিত বলে মন্তব্য করে দেশটি। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে পাকিস্তানকে তীব্র ভাষায় সতর্ক করে দিয়েছে সরকার।

নভেম্বর ২২, ২০১৫
নিজামীর আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি - image

নিজামীর আপিল শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি

22 নভেম্বর 2015, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর আপিল আবেদনের শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ চতুর্থ দিনের শুনানি হয়। নিজামীর পক্ষে আইনজীবী এস এম শাজাহান পেপারবুক থেকে অভিযোগ ধরে সাক্ষী উপস্থাপন করেন। বুদ্ধিজীবী গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, সম্পত্তি ধ্বংস, দেশত্যাগে বাধ্য করা, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র ও সংঘটনে সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। ওই রায়ের বিরুদ্ধে গত ২৩ নভেম্বর সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন নিজামী। জামায়াতে ইসলামীর আমির নিজামী একাত্তরে ছিলেন দলটির ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের নাজিমে আলা বা সভাপতি এবং সেই সূত্রে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতার জন্য গঠিত আল বদর বাহিনীর প্রধান।

নভেম্বর ২২, ২০১৫
সামাজিক যোগাযোগের সব অ্যাপ খুলছে - image

সামাজিক যোগাযোগের সব অ্যাপ খুলছে

13 ডিসেম্বর 2015, বিকাল 6:00

অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগের সব মাধ্যম ও অ্যাপ খুলে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তারানা হালিমসোমববার বিকালে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, সরকারের নির্দেশে সামাজিক যোগাযোগের সব মাধ্যম খুলে দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধ থাকার সময়ে তরুণ প্রজন্ম ‘যে ত্যাগ স্বীকার’ করেছে, সেজন্য তাদের ধন্যবাদ জানান তারানা। সরকারের নির্দেশনায় বাংলাদেশে ২২ দিন বন্ধ থাকার পর গত বৃহস্পতিবার ইন্টারনেটে জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুক খুলে দেওয়া হয়। এর ৩ দিনের মাথায় টুইটার, স্কাইপ ও ইমো বন্ধ করা হয়। তবে সোমবার দুপুরে টুইটার, স্কাইপ, ইমো বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রকার নির্দেশনা নেই বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। যুদ্ধপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মো. মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ হওয়ার পর গত ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশে ফেইসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সময়ে বন্ধ করা হয় মোবাইল ফোনের অ্যাপ ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ। দেশ ও জাতির নিরাপত্তার স্বার্থে ইন্টারনেটে সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের যোগাযোগ বন্ধ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সেসময় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০১৫
নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল, রিভিউ খারিজ - image

নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল, রিভিউ খারিজ

04 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামীর পুর্নবিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৪ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের ফলে মুক্তিযুদ্ধের সময় বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ তিনটি ঘটনায় নিজামীর ফাঁসির রায় বহাল থাকল। এখন তিনি কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। এরপর তার দণ্ড কাযর্কর হবে। পাবনার বাউশগাড়িতে প্রায় সাড়ে ৪০০ মানুষ হত্যা, ধুলাউড়া গ্রামে হত্যা ও বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত থাকার ঘটনায় জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আপিল বিভাগ রায় দেয় গত ৬ জানুয়ারি। দু’টি ঘটনায় তাকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আপিল বিভাগের রায় পুর্নবিবেচনার আবেদন করেন আল বদর নেতা নিজামী। মঙ্গলবার শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রায় দেয়ার জন্য নির্ধারিত ছিল। আপিল বিভাগ তার রায়ে নিজামী সম্পর্কে বলেছিলেন, আল বদর বাহিনীর নেতা হিসেবে এই বাহিনীর ওপর নিজামীর কর্তৃত্ব ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ছিল। তাদের বুদ্ধিজীবী হত্যাসহ সমস্ত বর্বরতাকে তিনি মেনে নিয়েছিলেন। এই ধরনের নিষ্ঠুর ও বর্বর অপরাধে কেউ সামান্যতম অংশীদার হলেও তার মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। বলা যায়, সেই নীতি থেকে সরে আসেনি আদালত। রিভিউ খারিজ হওয়ার ৫ দিন পর কামারুজ্জামানের, ৩ দিন পর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুজাহিদের এবং রিভিউ খারিজ হওয়ার রাতে কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। এ রায়ের পর নিজামীর সামনে এখন সুযোগ রয়েছে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার। রিভিউর রায় প্রকাশ হওয়ার পর দণ্ড কার্যকরের অন্যান্য প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এখন কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইবার উপর নির্ভর করে। আর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির কার্যক্রম শুরু করবে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডসহ হত্যা-গণহত্যা ও ধর্ষণের প্রমাণিত ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নিজামীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ৪টিতে ফাঁসি ও ৪টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় তকে। পরে গত ৬ মার্চ আপিলের রায়ে ৩ টিতে ফাঁসি ও ২ টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখে সুপ্রিমকোর্ট। সেই আদেশের পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আসামিপক্ষের আবেদনের শুনানি হয় গত মঙ্গলবার। শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৪ বিচারপতির বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার সময় নির্ধারণ করেন।

মে ০৪, ২০১৬
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে পাকিস্তানের প্রতি আহবান - image

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে পাকিস্তানের প্রতি আহবান

07 মে 2016, বিকাল 6:00

এটিএন বাংলা ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মতো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে ইসলামাবাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা। খুব শিগগির কূটনৈতিকভাবে এ বিষয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডের রিভিউ আবেদন সর্বোচ্চ আদালতে খারিজ হলে, এতে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেয় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ‘ডন’ এ খবর প্রকাশ করে। এ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের এমন আচরণ যুদ্ধাপরাধকে উৎসাহিত করবে। এছাড়া, ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় সিমলা চুক্তির মাধ্যমে যে ১৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীকে ফেরত দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের বিচারের দায়িত্ব পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিজামীদের মতো বাংলাদেশী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলাদেশে করা যাবে না, ওই চুক্তিতে এমন কিছু ছিল না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেই চুক্তি নিয়েও পাকিস্তান অপব্যাখ্যা করছে। এদিকে, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া রায় নিয়ে পাকিস্তানের এমন আচরণ দু:খজনক।

মে ০৭, ২০১৬
যেকোনো সময় রায় কার্যকর - image

যেকোনো সময় রায় কার্যকর

09 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য প্রধান জল্লাদ রাজুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল তিনটার পরে রাজু কারাগারে প্রবেশ করে। নিজামী এখনও রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেননি। প্রাণ ভিক্ষার আবেদন না করলে যেকোনো সময় নিজামীর রায় কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এর আগে সোমবার রাতে নিজামীকে রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় পড়ে শোনানো হয়। রাত ৮ টার দিকে রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌছে। এর আগে সোমববার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপতিরা রায়ে স্বাক্ষর করেন।এরপর রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায় প্রকাশের পর বিকেলে রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির আসামি নিজামীকে এই রায় পড়ে শুনিয়ে জানতে চাইবেন তিনি কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। আদালতের সব বিচারিক প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী নিজামীর সামনে এখন কেবল ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগই বাকি রয়েছে। তবে ক্ষমা ভিক্ষা না চাইলে জেল কর্তৃপক্ষ দণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা করবে। সে ক্ষেত্রে দণ্ড কার্যকরের জন্য কারাকর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গত বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। কাশিমপুর কারাগারে থাকা নিজামীকে ওই দিনই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার খবর জানানো হয়। পর দিন শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এর পর রোববার রাতে মতিউর রহমান নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।

মে ০৯, ২০১৬
কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার - image

কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার

09 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৯ ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর রায় কার্যকরকে সামনে রেখে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ এবং র‌্যাব। কারাগারের সামনের ফটকের যান চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। কারা ফটকে সংবাদ কর্মীদের ভির বাড়ছে। উৎসুক জনতার ভীরও লক্ষ করা গেছে। সোমবার বিকেল থেকেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়। সন্ধ্যায় নিজামীর রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌছে।  এর পরই কারাগারের চিত্র পাল্টাতে থাকে। মঙ্গলবার বিকেল থেকে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। প্রচুর পরিমাণে পুলিশ এবং র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধান জল্লাদ রাজুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছেছে। কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারাগার পরিদর্শন করেছেন। এর আগে সোমববার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপতিরা রায়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায় প্রকাশের পর বিকেলে রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির আসামি নিজামীকে এই রায় পড়ে শুনিয়ে জানতে চান তিনি কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। তিনি এখনও জানাননি। আদালতের সব বিচারিক প্রক্রিয়ার নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী নিজামীর সামনে এখন কেবল ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগই বাকি রয়েছে। তবে ক্ষমা ভিক্ষা না চাইলে জেল কর্তৃপক্ষ দণ্ড কার্যকরের ব্যবস্থা করবে। সে ক্ষেত্রে দণ্ড কার্যকরের জন্য কারাকর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন গত বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। কাশিমপুর কারাগারে থাকা নিজামীকে ওই দিনই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার খবর জানানো হয়। পর দিন শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এর পর রোববার রাতে মতিউর রহমান নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।  

মে ০৯, ২০১৬
মধ্যরাতে নিজামীর ফাঁসি কার্যকর - image

মধ্যরাতে নিজামীর ফাঁসি কার্যকর

10 মে 2016, বিকাল 6:00

নিজস্ব প্রতিবেদক : মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে তার ফাঁসি কার্যকর হয়। গত ৫ মে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৪ বিচারপতির বেঞ্চ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন বা রিভিউ খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। কাশিমপুর কারাগারে থাকা নিজামীকে ওই দিনই মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার খবর জানানো হয়। পর দিন শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। এর পর রোববার রাতে মতিউর রহমান নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। সোমবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিচারপতিরা রায়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর রায়টি প্রকাশ করা হয়। এর পর দ্রুতই নিজামীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি শুরু হয়। রায় প্রকাশের পর সোমবার বিকেলে রায়ের কপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ট্রাইব্যুনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া রায়ের কপি আইন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়েও পাঠানও হয়। রাত ৮ টার দিকে রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি ট্রাইব্যুনাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে। রায়ের কপি কারাগারে পৌঁছানোর পর কারা কর্তৃপক্ষ ফাঁসির আসামি নিজামীকে এই রায় পড়ে শুনিয়ে জানতে চান তিনি কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। সোমবার রাত থেকেই কারাগার এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ এবং র‌্যাব মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে প্রধান জল্লাদ রাজুকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল তিনটার পরে রাজু কারাগারে প্রবেশ করে। একই সময় ‘নিজামী এখনও রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেননি।  প্রাণ ভিক্ষার আবেদন না করলে যেকোনো সময় নিজামীর রায় কার্যকর হবে’ বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এদিকে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। কারা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কারাগার পরিদর্শন করেন। সন্ধ্যার পর বিপুল পুলিশ এবং র‌্যাব মোতায়েন করা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় আশেপাশের এলাকার যান চলাচল। কারাগারের ভেতরে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়। সন্ধ্যায় ছয়টার দিকে নিজামীর সাথে দেখা করতে তার পরিবারকে খবর পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। উত্তরা বাসা থেকে নিজামীর স্বজনরা সন্ধ্যায় ৭ টায় রওনা দেন। সন্ধ্যায় ৭ টা ৫০ মিনিটে পরিবারের ২২ জন সদস্য তিনটি জীপে করে কারা ফটকে পৌঁছান। এদিকে মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের অপেক্ষায় ঢাকার শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। চলছে প্রতিবাদী গান ও স্লোগান। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে এক মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মতিউর রহমান নিজামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০১৩ সালের ২৮ মে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৬টি অভিযোগ এনে নিজামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর নিজামীর বিরুদ্ধে আনা ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি (১, ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৮ ও ১৬) অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডসহ হত্যা-গণহত্যা ও ধর্ষণের প্রমাণিত ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধে নিজামীকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ৪টিতে ফাঁসি ও ৪টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় তকে। এর পর ওই বছর ২৩ নভেম্বর উচ্চ আদালতে আপীল করেন নিজামী। পরে গত ৬ মার্চ  ২০১৬আপিলের রায়ে ৩ টিতে ফাঁসি ও ২ টিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখে সুপ্রিমকোর্ট। সেই আদেশের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করে নিজামী । ৫ মে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৪ বিচারপতির বেঞ্চ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন বা রিভিউ খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এর মাধ্যমে নিজামীর মামলার সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়। এর পর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের সুযোগ থাকলেও বাকীদের মত নিজামীয় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে (১০ মে, ২০১৬) তার ফাঁসি কার্যকর হয়। এর আগে  ২০১৪ সালের গত ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এস এম মজিবুর রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মতিউর রহমান নিজামীসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

মে ১০, ২০১৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo