
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ মানুষকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্ত জেলার অস্থায়ী নিবাসকেন্দ্র থেকে । এছাড়া আরও ৮৩৬ জনকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
রোববার (৭ জুন) ভারতীয় জনতা পার্টির একটি প্রশিক্ষণ শিবির উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ দাবি করেন। সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধকে তার সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় না থাকা অবৈধ অভিবাসীদের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
তার দাবি, অতীতে এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি।
বর্তমানে আরও ৮৩৬ জন পাঠানোর অপেক্ষায় রয়েছেন। উত্তর চব্বিশ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত এলাকার প্রসঙ্গ টেনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে অনেক অনথিভুক্ত অভিবাসী স্বেচ্ছায় এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়েও বক্তব্য দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব অংশে এখনও বেড়া নির্মাণ হয়নি, তার মধ্যে প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকার জমি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোরে।
তিনি বলেন, রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সভায় জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের বিষয়টিও তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী। তার অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়টি ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম প্রধান নির্বাচনী ইস্যু ছিল। এদিকে রাজ্যে জনগণনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। আগামী ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা চালানো হবে বলে উল্লেখ করেন।
তার ভাষ্য, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে জনগণনার কাজ শেষ হবে। এরপর নতুন করে নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
এমআর//