
এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
ফোনঃ +88-02-55011931
এ সম্পর্কিত আরও খবর
৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে যে মহাবিপর্যয় দেখা যেতে পারে বাংলাদেশে!
প্রকৃতি যখন শান্ত থাকে, তখন বোঝার উপায় থাকে না মাটির নিচে কি মারাত্মক বিপদ লুকিয়ে আছে। ওপরের এই নীরবতা কিন্তু সবসময় ভালো লক্ষণ নয়। এটা আসলে বড় কোনো দুর্যোগের আগের থমথমে পরিস্থিতিও হতে পারে। পৃথিবীর কোথাও যখন একটা বড় ভূমিকম্প হয়, তখন শুধু সেই অঞ্চলটাই কেঁপে উঠে না; বরং দূর-দূরান্তের মানুষের মধ্যেও এক চরম আতঙ্ক তৈরি হয়। কারণ, এই ভূখণ্ডের নিচের মাটিও বছরের পর বছর ধরে শান্ত হয়ে বসে নেই। সেখানেও ভেতরে ভেতরে এমন এক প্রলয়ঙ্কারী শক্তি জমা হচ্ছে, যা যেকোনো দিন হঠাৎ পুরো চেনা শহরটাকে ধূলিসাৎ করে দিতে পারে।
সম্প্রতি ফিলিপাইনের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অবজারভেটরির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতারের গবেষণা বলছে, এই শক্তির সামান্য বহিঃপ্রকাশেই ঘটতে পারে মহা বিপর্যয়। ভূমিকম্পে রাজধানীর মাত্র ১ শতাংশ ভবন ধসে পড়লেও ধ্বংস হবে প্রায় ৬ হাজার স্থাপনা, যেখানে সরাসরি হতাহত হতে পারেন প্রায় ৩ লাখ মানুষ। এদিকে, ২০০৯ সালের জাইকা ও সিডিএমপির যৌথ জরিপ আরও ভয়াবহ—৭ মাত্রার কম্পনেই ঢাকার প্রায় ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং বিল্ডিং কোড অমান্য করে তৈরি দুর্বল ভবনগুলো এই ঝুঁকিকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ঠেকানো অসম্ভব। তবে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে সচেতনতা, নিয়মিত মহড়া, স্মার্ট সতর্কবার্তা ব্যবস্থা এবং কার্যকর উদ্ধার পরিকল্পনার মাধ্যমেই কেবল রুখে দেয়া সম্ভব একটি আসন্ন মানবিক মহাবিপর্যয়।
এফ/এইচ